📌 ইসরায়েলের প্রথমবারের মতো ভোটদাতা তরুণদের ৮০% ভোটদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পোলস অনুযায়ী, তারা ‘ডান বা ডান-কেন্দ্র’ মতবাদের পক্ষে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেটান্যাহু ও তার ডানপন্থী দলের সমর্থন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ইসরায়েলের প্রথমবারের মতো ভোটদাতা তরুণদের মধ্যে ‘ডানপন্থী প্রজন্ম’ (Generation Right) হিসেবে পরিচিত একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হওয়া এই নির্বাচনে, ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সী ৮০% তরুণ ভোটদান করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তবে তাদের রাজনৈতিক সচেতনতা সীমিত থাকলেও, তারা বিশ্বাস করেন ভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যত আকৃতি দিতে পারবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৮০% তরুণ ভোটদাতা** ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে, যাদের মধ্যে ৫০% প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছেন।
- 📌 **৭৫% তরুণ ডান বা ডান-কেন্দ্র মতবাদের পক্ষে** — যা সাধারণ ইসরায়েলি জনগণের তুলনায় অনেক বেশি।
- 📌 **নেটান্যাহু ও তার ডানপন্থী মন্ত্রীদের সমর্থন** বৃদ্ধি পাচ্ছে, যারা প্যালেস্টাইনিদের ‘অপারাধী’ হিসেবে দেখেন এবং তাদের ‘অত্যাচার’ বা ‘পাল্টা বসানোর’ দাবি করছেন।
- 📌 **হিলটপ যুবকদের মধ্যে জন্মানো ‘রেসিস্ট’ মনোভাব** — একটি ভিডিওতে একজন তরুণ বলেছেন, ‘আমাকে চাকু দাও, আমি আরবদের হত্যা করবো’।
- 📌 **গাজা সম্পর্কে তরুণদের মতামত** — একজন ছাত্রিনী প্রশ্ন করেন, ‘গাজায় বেসামরিক লোক আছে কি?’ আরেকজন বলেন, ‘কেন না, তারা করবেন’।
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি জানিয়েছে, ২০২২ সালের পর থেকে ৫ লাখ নতুন ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সী তরুণদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের একটি জরিপে দেখা গেছে, এই তরুণরা বিশ্বাস করেন ভোটের মাধ্যমে তারা দেশের ভবিষ্যতকে আকৃতি দিতে পারবেন। তবে তাদের রাজনৈতিক সচেতনতা সীমিত থাকলেও, তারা ‘ডান বা ডান-কেন্দ্র’ মতবাদের পক্ষে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের আক্রমণ পর থেকে ইসরায়েলের রাজনীতি আরও বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটান্যাহু ও তার ডানপন্থী দলের সমর্থন বৃদ্ধি পাচ্ছে। নেটান্যাহু ও তার মন্ত্রীগণ যেমন ন্যাশনাল সিকিউরিটি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও ফাইন্যান্স মন্ত্রী বেজালেল স্মট্রিচের মতবাদের মাধ্যমে ডানপন্থী মতবাদের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে।
২০১৭ সালে স্মট্রিচ বলেছিলেন, ইসরায়েলের ভবিষ্যতে ইসরায়েলিদেরই একমাত্র স্বায়ত্তশাসন থাকবে। প্যালেস্টাইনিদের ‘অত্যাচার’ বা ‘পাল্টা বসানোর’ বিকল্প হিসেবে ‘পাল্টা বসানো’ বা ‘অপারাধী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। তিনি ২০২২ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতিগুলোর জন্য জমি দখল ও শক্তিশালী করার কাজে জড়িত ছিলেন।
সতর্কতামূলক ভিডিওতে দেখা যায়, একজন তরুণ বলেছেন, ‘আমাকে চাকু দাও, আমি আরবদের হত্যা করবো’। এই ভিডিওটি ইসরায়েলি স্যাটিরিস্ট লিওর শ্লেইন তৈরি করেছিলেন। তিনি বলেন, এই ভিডিওগুলো ইসরায়েলি তরুণদের মধ্যে জন্মানো ‘রেসিস্ট’ মনোভাব দেখায়। আরেকটি টকশোতে একজন ছাত্রিনী প্রশ্ন করেন, ‘গাজায় বেসামরিক লোক আছে কি?’ আরেকজন বলেন, ‘কেন না, তারা করবেন’। শ্লেইন প্রশ্ন করেন, ‘গাজায় গণহত্যা হচ্ছে কি?’ ছাত্রিনী উত্তর দেন, ‘আমি মনে করি, তা করা উচিত’।
"আমাকে চাকু দাও, আমি আরবদের হত্যা করবো"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল (তেল אביב, পশ্চিম তীর, গাজা), ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউট
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটান্যাহু, ন্যাশনাল সিকিউরিটি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির, ফাইন্যান্স মন্ত্রী বেজালেল স্মট্রিচ, স্যাটিরিস্ট লিওর শ্লেইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০% (ভোটদাতা), ৭৫% (ডানপন্থী), ১৮-২২ বছর (বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!