📅 ৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নওগাঁতে সিজার অস্ত্রোপচারে যমজের এক সন্তান হারিয়ে যাওয়া: পরিবার অভিযোগ করে ধামাচাপা

নওগাঁতে সিজার অস্ত্রোপচারে যমজের এক সন্তান হারিয়ে যাওয়া: পরিবার অভিযোগ করে ধামাচাপা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নওগাঁ সদর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, আল্ট্রাসনোগ্রামে যমজ ভ্রূণের নিশ্চিত হওয়ার পর সিজার অস্ত্রোপচারে একটি সন্তান হারিয়ে গেছে। বাবা শান্ত ইসলামের মতে, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করছে।

নওগাঁ: আল্ট্রাসনোগ্রামে যমজ ভ্রূণের নিশ্চিত হওয়ার পর সিজার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি কন্যাশিশুর জন্ম হওয়া সত্ত্বেও পরিবারকে অপর সন্তানটির বিষয়ে কোনো তথ্য না দেওয়ায় পরিবার অভিযোগ করেছে। বাবা শান্ত ইসলামের মতে, অস্ত্রোপচারের আগে স্ত্রী সান্ত্বনা আক্তারের দু’টি আল্ট্রাসনোগ্রাম প্রতিবেদনে যমজ জীবিত ভ্রূণের কথা উল্লেখ ছিল, কিন্তু অস্ত্রোপচারের পর শুধুমাত্র একটি সন্তান দেখানো হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার নওগাঁর বলাকা ক্লিনিকে সিজার অস্ত্রোপচারের পর পরিবারকে শুধুমাত্র একটি কন্যাশিশু দেখানো হয়, যমজের অপর সন্তানটির খোঁজ নেই
  • 📌 ১২ ও ২১ অক্টোবর দু’টি আল্ট্রাসনোগ্রাম প্রতিবেদনে যমজ জীবিত ভ্রূণের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল, কিন্তু অস্ত্রোপচারের পর শুধুমাত্র একটি সন্তান পাওয়া যায়
  • 📌 ১২ অক্টোবর জয়পুরহাটের ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিবেদনে উভয় ভ্রূণের হৃদ্স্পন্দন প্রতি মিনিটে ১৪৭ বার উল্লেখ করা হয়
  • 📌 ২১ অক্টোবর নওগাঁর রি-লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিবেদনে যমজ ভ্রূণের হৃদ্স্পন্দন প্রতি মিনিটে ১৪৬ ও ১৪০ বার উল্লেখ করা হয়
  • 📌 অস্ত্রোপচারের পর পরিবারের সদস্যদের পেটের কাটা অংশ ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট সেলাই না করে ফেলা হয়, যা পরিবার অভিযোগ করেছে
  • 📌 বাবা শান্ত ইসলাম নওগাঁ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং অপর সন্তানটির সন্ধান, ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

নওগাঁ সদর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, নওগাঁয় সিজার অস্ত্রোপচারের পর পরিবারকে শুধুমাত্র একটি কন্যাশিশু দেখানো হয়েছে। বাবা শান্ত ইসলামের মতে, অস্ত্রোপচারের আগে তার স্ত্রী সান্ত্বনা আক্তারের দু’টি আল্ট্রাসনোগ্রাম প্রতিবেদনে যমজ জীবিত ভ্রূণের কথা উল্লেখ ছিল। তবে অস্ত্রোপচারের পর পরিবারের সদস্যদের শুধুমাত্র একটি কন্যাশিশু দেখানো হয়। অপর সন্তানটির বিষয়ে জানতে চাইলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট কোনো তথ্য দেয়নি।

শান্ত ইসলাম জানান, তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর গত ১২ ও ২১ অক্টোবর দু’টি পৃথক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হয়। উভয় প্রতিবেদনে গর্ভে দু’টি জীবিত ভ্রূণের কথা উল্লেখ করা হয়। ১২ অক্টোবর জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিবেদনে উভয় ভ্রূণের হৃদ্স্পন্দন প্রতি মিনিটে ১৪৭ বার উল্লেখ করা হয়। পরে ২১ অক্টোবর নওগাঁর রি-লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিবেদনে যমজ ভ্রূণের হৃদ্স্পন্দন যথাক্রমে প্রতি মিনিটে ১৪৬ ও ১৪০ বার উল্লেখ করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে চিকিৎসক ডা. মাহফুজা খাতুনের পরামর্শে সান্ত্বনা আক্তারকে বলাকা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর পরিবারের সদস্যদের শুধুমাত্র একটি কন্যাশিশু দেখানো হয়। অপর সন্তানটির বিষয়ে জানতে চাইলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট কোনো তথ্য দেয়নি। প্রসূতি সান্ত্বনা আক্তারের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের আগে চিকিৎসক ও ক্লিনিকের লোকজনের কাছে তারা জানতেন, তার গর্ভে একটি ছেলে ও একটি মেয়েসন্তান রয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর তাকে শুধুমাত্র একটি কন্যাশিশু দেখানো হয়। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা প্রতিবাদ করেন। এ সময় তার পেটের অস্ত্রোপচারের কাটা অংশ সেলাই না করে প্রায় ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

সান্ত্বনা আক্তার বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে তারা আমার পেটের কাটা অংশ সেলাই না করে ফেলে রাখে। এ সময় মোবাইলফোনে ভিডিও করে এবং বলে, তাদের কথা না শুনলে এ অবস্থায় রেখেই চলে যাবে। পরে আমার শরীরে কাঁপুনি শুরু হলে আমি বলি, আপনাদের সব কথা শুনব, আগে পেটের সেলাই করেন। এরপর চিকিৎসক আমার সঙ্গে রাগারাগি ও হুমকি-ধমকি দিয়ে ভিডিও ধারণ করেন। পরে পেটের কাটা অংশ সেলাই করা হয়। আমি আমার দুই সন্তানকেই চাই। আমার আরেক সন্তান কোথায়, তা জানতে চাই।’

"রোগী চিকিৎসক মাহফুজা খাতুনের পরামর্শে ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছিলেন। তিনিই অস্ত্রোপচার করেছেন। সন্তান একটি নাকি দু’টি, তা ওই চিকিৎসকই বলতে পারবেন। এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।"

বলাকা ক্লিনিকের মালিক এনামুল হক বলেন, রোগী চিকিৎসক মাহফুজা খাতুনের পরামর্শে ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছিলেন। তিনি অস্ত্রোপচার করেছেন। সন্তান একটি নাকি দু’টি, তা ওই চিকিৎসকই বলতে পারবেন। এ বিষয়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ কিছু জানেন না।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, নবজাতকের বাবা নিজে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। থানার ওসি ও জেলা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. মাহফুজা খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে কোনো বক্তব্য দেননি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নওগাঁ সদর, বলাকা ক্লিনিক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শান্ত ইসলাম, সান্ত্বনা আক্তার, ডা. মাহফুজা খাতুন, এনামুল হক, মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ নভেম্বর, ১২ ও ২১ অক্টোবর, ১৪৭ বার, ১৪৬ ও ১৪০ বার, ৩০-৪৫ মিনিট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖