📌 সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাশুদুল হক রাতের ডিউটিতে এক পাগলা রোগীকে নিয়ে আসে যিনি তিন সপ্তাহ আগে রাস্তায় পড়ে পচন ধরেছেন। রোগীর নাম রিজু পাগল, তার আত্মীয়ের সাথে সম্পর্কের কোনো তথ্য নেই। ডাক্তাররা তার পচনশীল শরীর থেকে জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করেন
সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে রাতের ডিউটিতে এক অদ্ভুত কেসের মুখোমুখি হন মাশুদুল হক। রাত তিনটায় এক পাগলা রোগীকে নিয়ে আসা হয় যিনি তিন সপ্তাহ আগে রাস্তায় পড়ে পচন ধরেছেন। রোগীর নাম রিজু পাগল, তার আত্মীয়ের সাথে সম্পর্কের কোনো তথ্য নেই। ডাক্তার ও নার্সদের কাছে এ রোগী ছিল এক চ্যালেঞ্জিং কেস।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রিজু পাগল নামের রোগীকে সিলেট মেডিকেলে নিয়ে আসা হয় যিনি তিন সপ্তাহ আগে রাস্তায় পড়ে পচন ধরেছেন। তার আত্মীয়ের সাথে সম্পর্কের কোনো তথ্য নেই।
- 📌 রোগীর শরীরে মারাত্মক পচন দেখা দিয়েছে, বিশেষত বাঁ পায়ে ও হাতে প্লাস্টার ব্যান্ডেজের ভেতরেই পচন ধরেছে বলে মনে করা হয়।
- 📌 রিজু পাগলকে রাস্তার পাশের নর্দমায় পাওয়া যায়, সম্ভবত কোনো গাড়ির সঙ্গে অ্যাকসিডেন্টের কারণে।
- 📌 মাশুদুল হক ও তার দল রিজু পাগলকে বাঁচানোর জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেন, কিন্তু রোগীর অবস্থা খুবই অস্বস্তিকর ছিল।
- 📌 রিজু পাগলকে নিয়ে আসা তরুণ ইকবাল জানান, রিজু পাগল তাদের এলাকার পুরোনো পাগল, কিন্তু তার আত্মীয়ের সম্পর্কের কোনো তথ্য নেই।
📰 বিস্তারিত
মাশুদুল হক সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে রাতের ডিউটিতে ছিলেন। রাত তিনটায় একদল তরুণ রোগীকে নিয়ে আসে। রোগীর নাম রিজু পাগল। তার অবস্থা ছিল খুবই খারাপ। রিজু পাগলকে রাস্তার পাশের নর্দমায় পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, তিনি তিন সপ্তাহ আগে কোনো গাড়ির সঙ্গে অ্যাকসিডেন্ট করে রাস্তা থেকে ছিটকে পড়েন। তার শরীরে মারাত্মক জখম ছিল। বাঁ পায়ে ও হাতে প্লাস্টার ব্যান্ডেজের ভেতরেই পচন ধরেছে বলে মনে করা হয়।
রিজু পাগলকে নিয়ে আসা তরুণ ইকবাল জানান, রিজু পাগল তাদের এলাকার পুরোনো পাগল। তিনি অনেক বছর ধরেই এলাকায় বাস করতেন। কিন্তু হঠাৎ করে লোকটা লাপাত্তা হয়ে যান। পরে তাকে পাওয়া যায় বড় রাস্তার পাশের এক নর্দমায়। ইকবাল জানান, রিজু পাগলের আত্মীয়ের সম্পর্কের কোনো তথ্য নেই। তিনি জানেন না রিজু পাগলের আপন কেউ আছে কি না।
মাশুদুল হক ও তার দল রিজু পাগলকে বাঁচানোর জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেন। রোগীর অবস্থা খুবই অস্বস্তিকর ছিল। তার শরীরে পচন দেখা দিয়েছে, বিশেষত বাঁ পায়ে ও হাতে প্লাস্টার ব্যান্ডেজের ভেতরেই। রিজু পাগলকে নিয়ে আসা তরুণদের সাথে সম্পর্কের কোনো তথ্য না থাকায় ডাক্তার ও নার্সদের কাছে এ রোগী ছিল এক চ্যালেঞ্জিং কেস।
"আপনার সঙ্গে ডিউটি মানেই আজেবাজে কেস। রাখঢাক না রেখেই বললেন ডিউটি নার্স রিতাদি।"
মাশুদুল হক ও তার দল রিজু পাগলকে বাঁচানোর জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তারা রোগীর শরীরে পচন থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। রিজু পাগলকে নিয়ে আসা তরুণদের সাথে সম্পর্কের কোনো তথ্য না থাকায় ডাক্তার ও নার্সদের কাছে এ রোগী ছিল এক চ্যালেঞ্জিং কেস।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাশুদুল হক, রিজু পাগল, ইকবাল, ডিউটি নার্স রিতাদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ সপ্তাহ (পচন ধরার সময়কাল), ২ দরজা (বিশ্রামকক্ষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!