📌 অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে। শুটিং সেটে মারধর ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংগঠনটি জানায়, দুজনেরই নোটিশের জবাব দেওয়া হয়নি এবং সালিশ বৈঠকেও সমঝোতা হয়নি
অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ তানজিন তিশা ও সামিয়া আক্তার অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে। শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগ ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে সংগঠনটির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত দুটি চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে।
- 📌 ৭ জুলাই নোটিশ দেওয়া হলেও দুজনেরই জবাব দেওয়া হয়নি।
- 📌 ৪ অক্টোবর তারিখের চিঠিতে সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে নোটিশের জবাব না দেওয়া ও সালিশ বৈঠকে সমঝোতা না হওয়া।
- 📌 সামিয়া দাবি করেছেন, তিশা তাঁকে জোরে চড় মারেন এবং চোখ ও গাল ফুলে যায়। তবে তিশা দাবি করেছেন, ঘটনাটি অভিনয়ের প্রয়োজনে।
- 📌 রাশেদ মামুন অপু ও মাসুদ রানা মিঠু স্বাক্ষরিত চিঠিতে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু জানান, গত ৭ জুলাই দুজনের সদস্যপদ স্থগিতকরণের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুজনেরই কার্যালয়ে জবাব দেওয়া হয়নি। এরপর সালিশ বা বিবাদ মীমাংসাকরণ বৈঠকে আলোচনা হয়। সেখানে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সামিয়া আক্তার অথৈ দাবি করেছেন, নাটকের একটি দৃশ্যে পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি তিশাকে আলতো করে চড় মারেন। কিন্তু পরে তিশা তাঁকে একাধিকবার জোরে চড় মারেন। এর ফলে তাঁর চোখ ও গাল ফুলে যায় এবং কথা বলতেও সমস্যা হয়। তিনি আরও দাবি করেছেন, তিশা তাঁকে হুমকি দিয়েছিলেন এবং অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে কাজ না করার জন্য সতর্ক করেছিলেন। তবে তিশা দাবি করেছেন, ঘটনাটি অভিনয়ের প্রয়োজনে এবং চরিত্রের অংশ হিসেবে। তিনি বলেন, নাটক মুক্তি পেলে দর্শকরা ঘটনার প্রেক্ষাপট বুঝতে পারবেন।
নাটকের পরিচালক রাফাত মজুমদার ঘটনাটিকে ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, নাটকের দৃশ্যে দুজনেরই পরস্পরকে চড় মারার কথা ছিল। কিন্তু অভিনয়ের সময় কোনো চড় জোরে লেগে যাওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়তে পারে। সংগঠনটি জানিয়েছে, কোনো সদস্যের সঙ্গে পেশাগত জটিলতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা আচরণবিধির পরিপন্থী।
"সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ঘটনার একতরফা উপস্থাপন অভিনয়শিল্পীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে। এ ধরনের বিরোধ প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তানজিন তিশা, সামিয়া আক্তার অথৈ, রাশেদ মামুন অপু, মাসুদ রানা মিঠু, রাফাত মজুমদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জুলাই, ৪ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!