📅 ৭ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পর্নোগ্রাফিক ভিডিও বিক্রির চক্রে পরিবারের সদস্যদের নগ্ন ছবি তৈরি: পুলিশ আটক করে চক্রের নেতা

পর্নোগ্রাফিক ভিডিও বিক্রির চক্রে পরিবারের সদস্যদের নগ্ন ছবি তৈরি: পুলিশ আটক করে চক্রের নেতা

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পুলিশ ও এনএসআই গিয়াস উদ্দিন মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। তিনি স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের নগ্ন ভিডিও তৈরি করে আন্তর্জাতিক পর্নো সাইটে বিক্রি করতেন। পলাশ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়

পুলিশ ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) একসাথে গিয়াস উদ্দিন মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। তিনি নরসিংদীর ঘোড়াশালে স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের নগ্ন ভিডিও তৈরি করে আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইটে বিক্রি করতেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গিয়াস উদ্দিন মিয়া (৪০) গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার ঘোনাপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
  • 📌 তিনি স্ত্রীসহ মেয়ে, শ্যালী ও ভাগ্নিকে নগ্ন ভিডিওতে ধারণ করে আন্তর্জাতিক পর্নো সাইটে বিক্রি করতেন।
  • 📌 পুলিশ ও এনএসআইয়ের গোপন তথ্য থেকে জানা যায়, তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টেও সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
  • 📌 পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন বলেছেন, ওই বাসা থেকে পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত নানা প্রমাণ পাওয়া গেছে।
  • 📌 পরিবারটি মাধবদী থানার ভগীরথপুর থেকে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে চলে আসার পরিকল্পনা করলেও পুলিশ তাদের ধরে ফেলে।

📰 বিস্তারিত

গিয়াস উদ্দিন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে নরসিংদীর মাধবদী থানার ভগীরথপুর এলাকার একটি বাসায় বসবাস করতেন। তিনি নিজের স্ত্রী, মেয়ে, শ্যালী এবং ভাগ্নিকে নগ্ন ভিডিওতে ধারণ করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইটে বিক্রি করতেন। গোয়েন্দারা তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক অর্থপ্রবাহের প্রমাণ পেয়েছেন। প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে তিনি পরিবারসহ পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে চলে আসার পরিকল্পনা করলেও পুলিশ তাদের ধরে ফেলে।

পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, গোয়েন্দা সংস্থার গোপন তথ্য থেকে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিনের পরিবার পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় মঞ্জুর মোর্শেদ লিটন নামের এক ব্যক্তির বাসায় বাসা বদল করে। পুলিশ ও এনএসআই তাদের মালামাল বহনকারী গাড়ির ওপর নজরদারি শুরু করে। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে গিয়াস উদ্দিনকে আটক করা হয়। ওই বাসা থেকে পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত নানা প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ওসি শাহেদ আল মামুন বলেন, “ওই বাসা থেকে পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত নানা আলামত পাওয়া গেছে। অন্যান্য কেউ যদি জড়িত থাকে, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”

"ওই বাসা থেকে পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত নানা আলামত পাওয়া গেছে। অন্যান্য কেউ যদি জড়িত থাকে, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পলাশ উপজেলা, ঘোড়াশাল পৌর এলাকা, নরসিংদী
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: গিয়াস উদ্দিন মিয়া (৪০), শাহেদ আল মামুন (ওসি), মঞ্জুর মোর্শেদ লিটন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ বছর (গিয়াস উদ্দিনের বয়স), ৬ নভেম্বর (আটক তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖