📌 প্যারাগুয়ের প্রধানমন্ত্রী সান্তিয়াগো পেনা পদত্যাগের পরও সংসদে অপসারণের চাপে রয়েছে। দেশের বৃহত্তম ডিজিটাল ব্যাংক ইউএনো ব্যাংকের ভেঙে পড়ায় ৩০ লাখেরও বেশি গ্রাহক আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছে। ব্যাংকের ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে এই সংকটের জন্ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে
প্যারাগুয়ের প্রধানমন্ত্রী সান্তিয়াগো পেনা (Santiago Pena) পদত্যাগের পরও সংসদে অপসারণের চাপে রয়েছে। দেশের বৃহত্তম ডিজিটাল ব্যাংক ইউএনো ব্যাংকের (Ueno Bank) ভেঙে পড়ায় ৩০ লাখেরও বেশি গ্রাহক আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছে। এই ব্যাংক ভেঙে পড়ার পর প্যারাগুয়েতে ৭০ বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা ইউএনো ব্যাংকের ভেঙে পড়ার পর পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন, কিন্তু সংসদে অপসারণের চাপে রয়েছে।
- 📌 ইউএনো ব্যাংক ৩০০ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র এবং ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিক্রিয়া দিতে না পাওয়ায় পেনা ৭২ ঘণ্টার মেয়াদ প্রার্থনা করেছেন, বলেছেন, “এটি ন্যায়বিচার নয়”।
- 📌 ইউএনো ব্যাংক ৩০ লাখ গ্রাহক (প্যারাগুয়ের ৬০% বয়স্ক জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ) এবং ৮০০ মিলিয়ন ডলার সরকারি অর্থের মালিক ছিল। এর মধ্যে ৩৮০ মিলিয়ন ডলার ছিল দেশের পেনশন ও স্বাস্থ্য তহবিলে বিনিয়োগ করা।
- 📌 ব্যাংক ভেঙে পড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়িক সহযোগীদের ঋণ এবং অপ্রতুল নিরাপত্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের সাথে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ১৪৬ মিলিয়ন ডলার ঋণ ছিল, যা আইনানুসারে অনুমোদিত ছিল না।
- 📌 ইউএনো ব্যাংক ৭০টি শাখা এবং ৭০ বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে লক্ষ্য করে গ্রাহকরা প্রতিবাদ করছেন। তারা দাবি করছেন, “সান্তিয়াগো পেনা এবং কোলোরাডো পার্টি আমাদের সব সঞ্চয় চুরি করেছে”।
📰 বিস্তারিত
প্যারাগুয়ের প্রধানমন্ত্রী সান্তিয়াগো পেনা ইউএনো ব্যাংকের ভেঙে পড়ার পর পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে সংসদে অপসারণের চাপে তিনি এখনও পদ থেকে অব্যাহত রয়েছে। পেনা বলেছেন, তিনি ৭২ ঘণ্টার মেয়াদ প্রার্থনা করেছেন, কারণ তাকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে ৩০০ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রের জবাব দিতে বলা হয়েছিল। তিনি বলেছেন, “এটি ন্যায়বিচার নয়”।
ইউএনো ব্যাংক ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ২০২৩ সালে পূর্ণ ব্যাংক লাইসেন্স পেয়ে দেশের প্রধান ডিজিটাল ব্যাংক হয়ে ওঠে। ব্যাংকটি গ্রাহকদের জন্য ক্যাশব্যাক অফার দিয়েছিল এবং ৭০টি শাখা স্থাপন করেছিল। ব্যাংকটি প্যারাগুয়ের জাতীয় ফুটবল দলের পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল এবং দেশের প্রধান স্টেডিয়ামে ব্যাংকের নাম লিখে রাখা হয়েছিল।
ব্যাংক ভেঙে পড়ার পর ৩০ লাখ গ্রাহক (প্যারাগুয়ের ৬০% বয়স্ক জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ) তাদের অর্থ প্রত্যাহার করতে পারছেন না। ব্যাংকটি ৮০০ মিলিয়ন ডলার সরকারি অর্থের মালিক ছিল, যার মধ্যে ৩৮০ মিলিয়ন ডলার ছিল দেশের পেনশন ও স্বাস্থ্য তহবিলে বিনিয়োগ করা।
"সান্তিয়াগো পেনা এবং কোলোরাডো পার্টি আমাদের সব সঞ্চয় চুরি করেছে। আমরা ৭০ বছরের লুণ্ঠনের পরেও ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।"
ব্যাংক ভেঙে পড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়িক সহযোগীদের ঋণ এবং অপ্রতুল নিরাপত্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের সাথে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ১৪৬ মিলিয়ন ডলার ঋণ ছিল, যা আইনানুসারে অনুমোদিত ছিল না। ব্যাংকটি ঋণদাতাদের সাথে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের পরিমাণ এবং নিরাপত্তা সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রদান করেছিল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্যারাগুয়ে (সরাসরি উল্লেখিত নেই, কিন্তু সংবাদটি প্যারাগুয়ে সম্পর্কিত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সান্তিয়াগো পেনা (প্রেসিডেন্ট), গ্রুপো ভাকেজ (Ueno Bank এর মালিক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ লাখ গ্রাহক, ৮০০ মিলিয়ন ডলার, ৩৮০ মিলিয়ন ডলার, ৭০টি শাখা, ৭২ ঘণ্টা, ৩০০ পৃষ্ঠা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!