📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটে সাড়ে সাত বছরের বেশি সময় ধরে চোখের অস্ত্রোপচার বন্ধ। ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে চক্ষু বিভাগের যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় লাখ লাখ রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের কারণে সাড়ে সাত বছরের বেশি সময় ধরে চোখের সব ধরনের অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে। ফলে জেলার লাখ লাখ মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চক্ষু বিভাগের অস্ত্রোপচার কক্ষ (ওটি) ও চক্ষু ওয়ার্ড বন্ধ রয়েছে সাড়ে সাত বছরের বেশি সময় ধরে।
- 📌 ২৫০ শয্যার জেলা সদর হাসপাতালটিতে চক্ষু বিভাগের প্রায় ৯৯ লাখ টাকা মূল্যের লেজার ও ওসিটি মেশিন এবং ১৫ লাখ টাকার অপারেটিং মাইক্রোস্কোপ ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
- 📌 ২০১৮ সাল থেকে হাসপাতালটির সিনিয়র ও জুনিয়র কনসালট্যান্ট পদ দুটি শূন্য রয়েছে। মাঝে পাঁচ বছর কোনো চক্ষু বিশেষজ্ঞ ছাড়াই প্রাথমিক মেডিক্যাল অফিসারের মাধ্যমে বহির্বিভাগ পরিচালিত হয়েছে।
- 📌 আগে প্রতি মাসে গড়ে ২০০ জনের বেশি রোগীর চোখের অস্ত্রোপচার হতো, যা এখন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চক্ষু বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকট চলছে। ২০১৮ সাল থেকে সিনিয়র ও জুনিয়র কনসালট্যান্ট পদ দুটি শূন্য থাকায় সেখানে কোনো চক্ষু বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এর ফলে বহির্বিভাগ পরিচালনার জন্য প্রাথমিক মেডিক্যাল অফিসার নিয়োগ করা হলেও অস্ত্রোপচার চালানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মাত্র একজন চিকিৎসক রয়েছেন, যার ফলে চক্ষু বিভাগের অস্ত্রোপচার কক্ষ ও ওয়ার্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
হাসপাতালটির চক্ষু বিভাগের প্রায় ৯৯ লাখ টাকা মূল্যের লেজার ও ওসিটি মেশিন এবং ১৫ লাখ টাকার অপারেটিং মাইক্রোস্কোপ ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় যন্ত্রপাতিগুলো মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে গেছে। এর আগে প্রতি মাসে গড়ে ২০০ জনের বেশি রোগীর চোখের অস্ত্রোপচার হতো। কিন্তু এখন চক্ষু জটিলতায় ভোগা রোগীদের বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, যা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়।
চিকিৎসক সংকট ও যন্ত্রপাতির অকেজো হয়ে যাওয়ার কারণে সরকারি স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে। একজন চিকিৎসক বদলি হওয়ার পর দেড় যুগেও সেখানে স্থায়ী বিশেষজ্ঞ পদায়ন করা সম্ভব হয়নি।
"চিকিৎসকের অভাবে সেবা থমকে থাকা এবং কোটি কোটি টাকার চিকিৎসাসামগ্রী অব্যবহৃত ফেলে রেখে নষ্ট করা আমাদের সরকারি স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনাকেই নতুন করে উন্মোচিত করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্মকর্তা, প্রাথমিক মেডিক্যাল অফিসার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ (শয্যা), ৯৯ (লাখ টাকা), ১৫ (লাখ টাকা), ২০০ (জন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!