📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় মূল অভিযুক্ত খালাস, বাদীপক্ষ উচ্চ আদালতে যাবে

রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় মূল অভিযুক্ত খালাস, বাদীপক্ষ উচ্চ আদালতে যাবে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরে সাংবাদিক মশিউর রহমান হত্যা মামলায় তিন আসামিকে দণ্ড দেওয়া হলেও মূল অভিযুক্ত জহিরন আক্তার খালাস পেয়েছেন। বাদীপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষ উভয়েই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিলের ঘোষণা দিয়েছেন

রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান আজ বুধবার পৌনে তিনটার দিকে সাংবাদিক মশিউর রহমান হত্যা মামলায় রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের মধ্যে মূল ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত জহিরন আক্তারকে আদালত খালাস দিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি: রুবেল ওরফে হেকরম (পলাতক)
  • 📌 যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি: এলিন ও শুভ কুমার (পলাতক)
  • 📌 খালাসপ্রাপ্ত আসামি: জহিরন আক্তার
  • 📌 হত্যাকাণ্ডের শিকার: মশিউর রহমান (দৈনিক যুগের আলোর স্টাফ রিপোর্টার)
  • 📌 হত্যার তারিখ: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫
  • 📌 বিচারকার্যের সময়কাল: প্রায় ১১ বছর

📰 বিস্তারিত

মামলার বিবরণ অনুসারে, মশিউর রহমান ২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দৈনিক যুগের আলোর কার্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহৃত হন। পরদিন তাঁর মৃতদেহ ধর্মদাস এলাকায় একটি গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার পর তাঁর মা নুরজাহান বেগম বাদী হয়ে রংপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করলেও আদালত ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। প্রায় ১১ বছর ধরে চলা বিচারকার্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী পলাশ কান্তি নাগ বলেন, ‘মামলায় মাস্টারমাইন্ড হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিই খালাস পেয়েছেন। মশিউর রহমান মাদকবিরোধী সংবাদ প্রকাশ করতেন, যার কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’ তিনি আরও জানান, রায়ে তাঁরা সংক্ষুব্ধ এবং ন্যায়বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল হাদী বলেন, অভিযোগ অনুযায়ী জহিরন আক্তার ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করিয়েছিলেন। কিন্তু আদালত তাঁকে খালাস দেওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ অসন্তুষ্ট। তিনি জানান, উচ্চ আদালতে আপিলের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনগুলিও রায় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। রংপুর সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পলাতক থাকা অবস্থায় মূল অভিযুক্তের খালাস পাওয়া বিস্ময়কর।’ রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সালেকুজ্জামান ছালেক জানান, সাক্ষ্য-প্রমাণের ঘাটতির কারণে মূল অভিযুক্ত খালাস পেয়েছেন বলে তাঁরা মর্মাহত।

‘রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। সঠিক বিচার পেতে উচ্চ আদালতে আপিল করব।’ — নুরজাহান বেগম, বাদীপক্ষ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহিরন আক্তার, নুরজাহান বেগম, মশিউর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যুদণ্ড ১, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ২, অভিযুক্ত ৬, সাক্ষী ১১, হত্যার তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫, বিচারকাল ১১ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖