📌 আমেরিকার ভার্জিনিয়া রাজ্যে ভারতীয় নাগরিক নরেশ ভাট আদালতে স্বীকার করেছেন, তার ২৮ বছর বয়সী স্ত্রী মমতা আত্মহত্যা করে মারা যাওয়ার পর তিনি এক ঘণ্টা ধরে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়ে লাশ কাটতে বাধ্য হন। পুলিশের তদন্তে নরেশকে গ্রেফতার করা হয় এবং তিনি লাশ গুম করার চেষ্টা করেছেন বলে স্বীকার করেছেন
আমেরিকার ভার্জিনিয়া রাজ্যে ভারতীয় নাগরিক নরেশ ভাট আদালতে স্বীকার করেছেন, তার স্ত্রী মমতা আত্মহত্যা করে মারা যাওয়ার পর তিনি এক ঘণ্টা ধরে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়ে লাশ কাটতে বাধ্য হন। ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই শেষবার দেখা গিয়েছিল মমতাকে, কিন্তু তারপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। পুলিশের তদন্তে নরেশকে গ্রেফতার করা হয় এবং তিনি লাশ গুম করার চেষ্টা করেছেন বলে স্বীকার করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভার্জিনিয়ায় ভারতীয় নাগরিক নরেশ ভাট আদালতে স্বীকার করেছেন, তার স্ত্রী মমতা আত্মহত্যা করে মারা যাওয়ার পর তিনি এক ঘণ্টা ধরে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন এবং লাশ কাটতে বাধ্য হন।
- 📌 নরেশ জানান, স্ত্রী মমতা (২৮) বিছানার পাশে বমি ও ওষুধের বোতল পড়ে থাকা অবস্থায় অচেতন অবস্থায় পেয়েছিলেন। তার চারপাশে প্রচুর ট্যাবলেট ও অত্যন্ত বিষাক্ত কীটনাশক ‘সেলফোস’ প্যাকেট পড়া ছিল।
- 📌 নরেশ প্রথমে স্ত্রীকে বাঁচানোর জন্য কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস (সিপিআর) দেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষ রক্ষা না হওয়ায় করাত দিয়ে লাশ কাটতে বাধ্য হন।
- 📌 নরেশ জানান, লাশ কাটার পর তিনি প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে ডাস্টবিনে ফেলে দেন। তিনি বলেন, ‘মানসিক ও শারীরিকভাবে আমি একদম শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলাম... আর পেরে উঠিনি’।
- 📌 নরেশের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, তিনি লাশ গুম করার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা করেননি।
📰 বিস্তারিত
আমেরিকার ভার্জিনিয়া রাজ্যের আদালতে নরেশ ভাটের স্বীকারোক্তি শুনানোর সময় তিনি জানান, তার স্ত্রী মমতা আত্মহত্যা করে মারা যাওয়ার পর তিনি এক ঘণ্টা ধরে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে শেষ রক্ষা না হওয়ায় তিনি করাত দিয়ে লাশ কাটতে বাধ্য হন। নরেশ জানান, স্ত্রীকে অচেতন অবস্থায় পেয়েও তিনি জরুরি সেবা ‘৯১১’-এ কল করেননি। তিনি বলেন, ‘আমি জানি না কেন কল দিইনি। চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম... মাথায় যেন কী ভর করেছিল।’
২০২৪ সালের ২৯ জুলাই রাত ৮টার দিকে নরেশ তার ছোট মেয়েকে নিয়ে ঘুমাতে যান। পরদিন ভোর ৪টার দিকে তিনি দেখেন, স্ত্রী মমতা বিছানার পাশে চিত হয়ে পড়েছেন। তার চারপাশে বমি লেগে ছিল, যাতে প্রচুর ট্যাবলেট দেখা যায়। পাশে ‘সেলফোস’ নামে অত্যন্ত বিষাক্ত কীটনাশকের প্যাকেটও পড়ে ছিল। নরেশ জানান, তিনি প্রথমে পটোকম নদীতে লাশ ভাসিয়ে দেওয়ার চিন্তা করেছিলেন, কিন্তু পরে ‘হোম ডিপো’র দোকান থেকে লাশ গুম করার সরঞ্জাম কিনে নেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নরেশ কর্মস্থলে না যাওয়ায় প্রথম মমতার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। প্রথমে নরেশ পুলিশকে জানান, তার স্ত্রী নিখোঁজ হননি। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি নিজেই থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তদন্তে নরেশের শোবার ঘর ও বাথরুমে রক্তের দাগ পাওয়ার পর ২২ আগস্ট তাকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় চুল লেগে থাকা একটি ইলেকট্রিক করাতও।
"আমি জানি না কেন কল দিইনি। চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম... মাথায় যেন কী ভর করেছিল। আমি পুরোপুরি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভার্জিনিয়া, আমেরিকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নরেশ ভাট, মমতা ভাট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর (মমতার বয়স), ২৯ জুলাই ২০২৪, ৫ আগস্ট ২০২৪, ২২ আগস্ট ২০২৪, ৮ টা রাত, ৪ টা ভোর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!