📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৫০ বছরে মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কমে ৩৬.৪ ডিগ্রিতে: গবেষণায় উন্মোচিত কারণসমূহ

১৫০ বছরে মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কমে ৩৬.৪ ডিগ্রিতে: গবেষণায় উন্মোচিত কারণসমূহ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গবেষণা দেখায়, গত ১৫০ বছরে মানুষের শরীরের গড় তাপমাত্রা কমে ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য উন্নতি, জীবনযাপনের পরিবর্তন এবং থার্মোমিটার পরিমাপ পদ্ধতির ত্রুটি এই পরিবর্তনের পেছনে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে

গত ১৫০ বছরে মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে বর্তমানে ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে। এই পরিবর্তনটি স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের একটি নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে। গবেষকরা জানান, এই তাপমাত্রার হ্রাসের পেছনে স্বাস্থ্য উন্নতি, জীবনযাপনের পরিবর্তন এবং থার্মোমিটার পরিমাপ পদ্ধতির ত্রুটি প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত ১৫০ বছরে মানুষের শরীরের গড় তাপমাত্রা কমে ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে (প্রাক্তন মান ছিল ৩৭ ডিগ্রি)।
  • 📌 জার্মান চিকিৎসক কার্ল উন্ডারলিচ ১৮৬০-এর দশকে ২৫ হাজার মানুষের তাপমাত্রা পরিমাপ করে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস নির্ধারণ করেছিলেন।
  • 📌 উন্ডারলিচের তথ্য ভিত্তি ছিল শ্রমজীবী রোগীদের, যাদের শরীর তাপ উৎপাদন করতে বেশি পরিশ্রম করত।
  • 📌 বর্তমান সময়ে ‘থার্মাল-নিউট্রাল জোন’-এ জীবনযাপন করে শরীর তাপ উৎপাদন কমায়, ফলে তাপমাত্রা কমে যায়।
  • 📌 সুইজারল্যান্ডের আদিবাসী সিমানেদের তাপমাত্রা ২০০০ সালে ৩৭ ডিগ্রি থেকে ২০১৮ সালে কমে ৩৬.৫ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে।
  • 📌 মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ফিলিপ ম্যাককোয়াকের মতে, উন্ডারলিচের থার্মোমিটার ২ ডিগ্রি বেশি দেখাত।

📰 বিস্তারিত

১৮৬০-এর দশকে জার্মান চিকিৎসক কার্ল উন্ডারলিচ ১৫ বছর ধরে ২৫ হাজার মানুষের বগলের তাপমাত্রা পরিমাপ করেন। এই বিশাল তথ্যভান্ডার থেকে তিনি প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের গড় তাপমাত্রা নির্ধারণ করেন ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে এই মানদণ্ডের ভিত্তি ছিল শ্রমজীবী রোগীদের, যাদের শরীর তাপ উৎপাদনের জন্য বেশি পরিশ্রম করত। বর্তমান সময়ে উন্নত জীবনযাপনকারীদের বেশিরভাগ সময় কাটে ‘থার্মাল-নিউট্রাল জোন’-এ, যেখানে শরীরকে তাপ উৎপাদনের জন্য অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয় না। ফলে শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগবিশেষজ্ঞ জুলি পারসনেটের মতে, উন্ডারলিচের তথ্য ভিত্তি ছিল শ্রমজীবী রোগীদের। বর্তমান সময়ে উন্নত জীবনযাপনকারীদের শরীর তাপ উৎপাদন কমায়, ফলে তাপমাত্রা কমে যায়। সুইজারল্যান্ডের জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা দেখায়, আদিবাসী সিমানেদের তাপমাত্রা ২০০০ সালে ৩৭ ডিগ্রি ছিল, কিন্তু ২০১৮ সালে কমে ৩৬.৫ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে।

মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা ইতিহাসবিদ ফিলিপ ম্যাককোয়াকের মতে, উন্ডারলিচের থার্মোমিটার পরিমাপ পদ্ধতিতে ত্রুটি ছিল। তিনি জানান, উন্ডারলিচের ব্যবহৃত কাচের থার্মোমিটার আধুনিক থার্মোমিটারের তুলনায় প্রায় ২ ডিগ্রি বেশি দেখাত। এছাড়া তৎকালীন সময়ে বগলের নিচে তাপমাত্রা পরিমাপ করা হত, যা আজকের প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে আলাদা ছিল।

"শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার এই প্রবণতা কেবল উন্নত দেশের মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সুইজারল্যান্ডের আদিবাসী সিমানেদের ক্ষেত্রেও স্বাস্থ্য উন্নতির সাথে সাথে তাপমাত্রা কমেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জার্মান, যুক্তরাষ্ট্র, সুইজারল্যান্ড, মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কার্ল উন্ডারলিচ, জুলি পারসনেট, অ্যাড্রিয়ান জায়েগি, ফিলিপ ম্যাককোয়াক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০ বছর, ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ২৫ হাজার, ১০ লাখ, ৩৮ বছর, ২ ডিগ্রি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖