📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০২৯ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধ: ৬ কোটি ১৩ লাখ ফোনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ

২০২৯ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধ: ৬ কোটি ১৩ লাখ ফোনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ২০২৯ সালের ডিসেম্বরে টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। দেশে ৬ কোটি ১৩ লাখ টুজি ফোনের ব্যবহারকারীরা ভোল্টি প্রযুক্তি সমর্থিত ফোন ছাড়া কল করতে পারবেন না। সরকারের অনুমোদন ছাড়া পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে না

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ২০২৯ সালের ডিসেম্বরে দেশের টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ৬ কোটি ১৩ লাখ টুজি ফোনের ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ ভোল্টি প্রযুক্তি সমর্থিত ফোন ছাড়া মোবাইল কল করতে পারবেন না। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত** বাংলাদেশে টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধের পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে বিটিআরসি।
  • 📌 **৬ কোটি ১৩ লাখ টুজি ফোনের** মধ্যে ৯০০ টাকারও কম দামে পাওয়া বাটন ফোনগুলো ভোল্টি প্রযুক্তি সমর্থন না করায় কল করা সম্ভব হবে না।
  • 📌 **২০২৬ সালের ডিসেম্বর থেকে** নতুন কোনো টুজি ফোনের উৎপাদন অনুমোদন বন্ধ করা হবে।
  • 📌 **২০২৭ সালের ৩১ মার্চ** টুজি ফোনের উৎপাদন বন্ধ এবং **৩০ জুন** থেকে বাজারজাতকরণ বন্ধের পরিকল্পনা রয়েছে।
  • 📌 **ভোল্টি প্রযুক্তি সমর্থিত ফোন** ছাড়া ভয়েস কল করা সম্ভব হবে না, তবে ওটিটি অ্যাপ বা ভোল্টি ব্যবহার করে কল করা যাবে।
  • 📌 **গ্রামীণফোন ও রবি আজিয়াটার** কর্মকর্তারা বলেছেন, টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধের পর সব ফোন ফিচার ফোনে পরিণত হবে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বিটিআরসি গত অক্টোবরে মোবাইল অপারেটর, হ্যান্ডসেট উৎপাদকসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে রোডম্যাপ তৈরি করেছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ডিসেম্বর থেকে নতুন কোনো টুজি ফোনের উৎপাদন অনুমোদন বন্ধ করা হবে। এরপর ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ থেকে টুজি ফোনের উৎপাদন বন্ধ এবং ৩০ জুন থেকে বাজারজাতকরণ বন্ধের পরিকল্পনা রয়েছে। সবশেষে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রাহক পর্যায়ে টুজি সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিটিআরসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, টুজি প্রযুক্তিনির্ভর ফোনগুলো ধাপে ধাপে বন্ধ করে গ্রাহকদের আধুনিক নেটওয়ার্কে স্থানান্তর করা হবে। তবে এই রোডম্যাপ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন। টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধ হলে ভোল্টি প্রযুক্তি সমর্থন করে না এমন ফোনে প্রচলিত ভয়েস কল করা সম্ভব হবে না। তবে ভোল্টি সমর্থিত ফোনে কল করা যাবে। ভোল্টি (VoLTE) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফোরজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সরাসরি মোবাইল নম্বরে কল করা যায়।

গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদ বলেন, “এখন গ্রাহকেরা নিজেরাই হোয়াটসঅ্যাপ বা এ ধরনের ওটিটি অ্যাপে শিফট করছেন। আবার ভোল্টিতেও কিছু মুভমেন্ট হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “তখন বাটন ফোন থাকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বলা যায়, টুজি সানসেট যদি হয়েও যায় তখন তো আর টুজি নেটওয়ার্ক থাকবে না। কিন্তু মানুষ তখনও মোবাইলে ফোন করতে পারবে। তখন সেটা হয় ওটিটি অ্যাপের মাধ্যমে কলটা যাবে অথবা ভোল্টি দিয়ে চলে যাবে। কথা কিন্তু মানুষ বলবে।”

রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, “অ্যাবসোলিউট টুজি হ্যান্ডসেটগুলো, যেগুলোর লাইফ সাইকেল তিন থেকে চার বছর, বিটিআরসি এই ফোন নির্মাতাদের নির্দেশনা দিয়েছে যে আগামী বছর থেকে আর কোনো টুজি হ্যান্ডসেট যাতে তৈরি না হয়। ফলে যেটা হবে, ২০৩০ সাল নাগাদ মানুষের হাতে আর কোনো টুজি হ্যান্ডসেট থাকবে না। তখন সবই ফিচার ফোন হয়ে যাবে। তখন যদি আপনি ভয়েস কলে ডায়াল করেন, সেটা ভোল্টি দিয়ে চলে যাবে। অথবা অ্যাপ টু অ্যাপ কল যাবে। এখন পৃথিবীতে তাই হয়। যেমন যুক্তরাষ্ট্রে এখন কোনো টুজি নেই। আপনি যদি ফোনে কল করেন তাহলে সেটা ভোল্টি দিয়ে চলে যায় অথবা অ্যাপ টু অ্যাপ কল যায়। এখনো ভোল্টি দিয়ে যাচ্ছে, আমরা বুঝতে পারছি না। টেকনোলজি চেইঞ্জ হয়ে যায়।”

"আপনি যদি ডেটা দিয়ে কল করেন তাহলে সেটা এক মিনিট ভয়েস কলের চেয়ে কয়েকগুণ সাশ্রয়ী হয়। আপনি নিশ্চয় জানেন কোনটা আপনার জন্য সাশ্রয়ী। সেজন্য তো মানুষ হোয়াটসঅ্যাপের মত অ্যাপগুলো ব্যবহার করছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তানভীর মোহাম্মদ (গ্রামীণফোন), সাহেদ আলম (রবি আজিয়াটা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ কোটি ১৩ লাখ টুজি ফোন, ৯০০ টাকা (বাটন ফোনের দাম), ২০২৬, ২০২৭, ২০২৯

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖