📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরকজয়ন্তীতে শিবিরের ১২টি দাবি পেশ করা হয়েছে। নিরাপত্তা, পরিবহন, সাংস্কৃতিক আয়োজন থেকে শুরু করে জুলাই আন্দোলনের স্মরণীয় ঘটনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করার দাবি রয়েছে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আসন্ন হীরকজয়ন্তী উদযাপনের আয়োজনকে শিক্ষার্থীবান্ধব ও সর্বজনীন করার জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চবি শাখা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ দাবি পেশ করেছে। ৫ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকানকে লিখিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চবির হীরকজয়ন্তীতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী, সিসিটিভি ক্যামেরা ও আলোকসজ্জা বাধ্যতামূলক দাবি করা হয়েছে
- 📌 বহিরাগতদের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ রোধ ও ক্যাম্পাসে বিশুদ্ধ খাবার-পানি, পরিচ্ছন্ন টয়লেট ও প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি
- 📌 জুলাই শহীদ পরিবার ও আন্দোলনে আহতদের সম্মানজনক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং তাদের জীবনী স্মারক গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি
- 📌 চাকসুর ইতিহাস, সপ্তম ক্যাবিনেটের পরিচিতি ও সাবেক নেতাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি
- 📌 ১৮ নভেম্বর আগে 'জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ' স্থাপন ও সংসদ সদস্যদের বক্তব্য প্রদানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি
- 📌 সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক ও ইসলামী সংগীতের আয়োজন এবং ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার দাবি
📰 বিস্তারিত
চবি শিবিরের সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন রনি ও সেক্রেটারি হাবিব উল্লাহ খালেদের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হীরক জয়ন্তীতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সফলভাবে কার্যকর করতে হবে। ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন, সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা এবং পুরো ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা নিশ্চিত করার দাবি করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জুলাই শহীদ মো. ফরহাদ হোসেন ও হৃদয় চন্দ্র তরুয়ার সংক্ষিপ্ত জীবনী, আত্মত্যাগের ইতিহাস এবং চবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবদানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস স্মারক গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও, চাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ইতিহাস এবং চাকসুর সপ্তম ক্যাবিনেটের পরিচিতি অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করা হয়েছে।
শিবিরের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন, উল্লেখিত দাবিসমূহ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে হীরক জয়ন্তীর আয়োজন আরও অর্থবহ, সুশৃঙ্খল ও সর্বজনীন হয়ে উঠবে।
"আমরা আশা করি, প্রশাসন উল্লেখিত দাবিসমূহ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং হীরক জয়ন্তীকে শিক্ষার্থীবান্ধব ও সর্বজনীন করে তুলবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইব্রাহীম হোসেন রনি (শিবির সভাপতি), হাবিব উল্লাহ খালেদ (সেক্রেটারি), ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান (উপাচার্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ দফা দাবি, ৫ নভেম্বর (স্মারকলিপি জমা), ১৮ নভেম্বর (হীরকজয়ন্তী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!