📌 যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্তে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের মজুত থেকে বিপুল পরিমাণ তেল ছাড়তে বাধ্য হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত (এসপিআর) গত চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। মার্কিন জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির তেল মজুত এখন ২৯ কোটি ৮৭ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে, যা ১৯৮৩ সালের পর সর্বনিম্ন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত ২৯ কোটি ৮৭ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন
- 📌 গত সপ্তাহে এক ধাক্কায় ৬ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল তুলে নেওয়ার পর এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুতের ক্ষমতা রয়েছে ৭১ কোটি ৩৫ লাখ ব্যারেল
- 📌 ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করেছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ২০২৬ সাল পর্যন্ত ১৭ কোটি ২২ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়তে রাজি হয়েছে
- 📌 মার্কিন জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র জানান, তেল মজুতের সর্বনিম্ন সীমা হলো ৭ কোটি ব্যারেল
📰 বিস্তারিত
মার্কিন জ্বালানি বিভাগের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত গত চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। দেশটির তেল মজুত এখন ২৯ কোটি ৮৭ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে, যা ১৯৮৩ সালের পর সর্বনিম্ন। গত সপ্তাহে এক ধাক্কায় ৬ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল তুলে নেওয়ার পর এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুতের ক্ষমতা রয়েছে ৭১ কোটি ৩৫ লাখ ব্যারেল, তবে ইরান যুদ্ধ শুরুর সময়েও সেখানে ৪১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেল ছিল।
করোনা মহামারী এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশাল পরিমাণ মজুত ব্যবহার করায় আগেই এই চাপ তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলে বড় ধাক্কা খায় বিশ্ব জ্বালানি বাজার।
পরিস্থিতি সামাল দিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সাথে সমন্বয় করে ২০২৬ সাল জুড়ে স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ থেকে আরো ১৭ কোটি ২২ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়তে রাজি হয় যুক্তরাষ্ট্র। তবে ইচ্ছে করলেই এই জরুরি মজুত খালি করা সম্ভব নয়।
"এই কৌশলগত মজুতের অন্তত ৭ কোটি ব্যারেল তেল কোনোভাবেই তোলা যাবে না। এটি হলো তাদের পরিচালনার সর্বনিম্ন সীমা। এর চেয়ে বেশি তেল বের করতে গেলে এই তেল সঞ্চয়াগারের কাঠামোগত স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ কোটি ৮৭ লাখ ব্যারেল, ৬ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল, ৭১ কোটি ৩৫ লাখ ব্যারেল, ১৭ কোটি ২২ লাখ ব্যারেল, ৭ কোটি ব্যারেল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!