📌 বাংলাদেশে প্রবাসীদের সঞ্চিত অর্থকে উৎপাদনশীল বিনিয়োগে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে এম ক্যাপিটাল ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বিশেষায়িত তহবিল ঘোষণা করেছে। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘ডাকছে বাংলাদেশ’ কর্মসূচিতে সাবেক গভর্নর ড. আহসান মনসুরের নেতৃত্বে এই উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রবাসী বাংলাদেশিদের দক্ষতা ও অর্থ দেশের অর্থনীতিতে কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীদের সঞ্চিত অর্থকে উৎপাদনশীল বিনিয়োগে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে একটি বড় উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এম ক্যাপিটাল ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বিশেষায়িত তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এই তহবিলের মাধ্যমে প্রবাসীদের অর্থকে দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১০০ কোটি মার্কিন ডলার তহবিল**: এম ক্যাপিটালের নেতৃত্বে প্রবাসীদের অর্থকে উৎপাদনশীল বিনিয়োগে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে গঠিত তিনটি ফান্ড — ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট এবং হেলথকেয়ার ইমপ্যাক্ট ফান্ড।
- 📌 **নিউইয়র্কে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান**: ২৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ‘ডাকছে বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তহবিলের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- 📌 **প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত**: সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
- 📌 **প্রবাসীদের আহ্বান**: অধ্যাপক ইউনূস তরুণদের মেধা ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামাজিক ব্যবসার প্রসারে জোর দেন। প্রবাসীদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দেশের উৎপাদনশীল খাতে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
- 📌 **ব্র্যাক ব্যাংকের তদারকি**: তহবিলের ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান দায়িত্বে থাকবে ব্র্যাক ব্যাংক। ফান্ডগুলোর পরিচালনা স্বচ্ছতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
- 📌 **১০০টি শহরে প্রসার**: এম ক্যাপিটাল বিশ্বজুড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে যুক্ত করার লক্ষ্যে প্রায় ১০০টি প্রধান শহরে পৌঁছানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশে প্রবাসীদের অর্থকে উৎপাদনশীল বিনিয়োগে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে এম ক্যাপিটালের উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয় নিউইয়র্কে। সাবেক বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের নেতৃত্বে এই তহবিলের মাধ্যমে প্রবাসীদের অর্থকে উৎপাদনশীল সম্পদে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে তিনটি পৃথক ফান্ড গঠন করা হবে। এগুলো হলো ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ফান্ড, ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ফান্ড এবং হেলথকেয়ার ইমপ্যাক্ট ফান্ড।
২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ‘ডাকছে বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি তরুণদের মেধা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে সামাজিক ব্যবসার প্রসারে গুরুত্ব দেন। প্রবাসীদের দক্ষতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে দেশের উৎপাদনশীল উদ্যোগে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও কাঠামোগত সংস্কারের অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি বিদেশি ও প্রবাসী উদ্যোক্তাদের সরাসরি বাংলাদেশে এসে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আস্থা তৈরি হতে পারে।
তহবিলের কাঠামো সম্পর্কে এম ক্যাপিটালের চেয়ারম্যান ড. আহসান এইচ মনসুর জানান, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থকে উৎপাদনশীল সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে ১০০ কোটি ডলারের কাঠামোর আওতায় তিনটি ফান্ড গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি ফান্ড দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইন এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করে পরিচালিত হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিতে স্বাধীন উপদেষ্টাদের তদারকি থাকবে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দুই বছরের লক-ইন সময়ও নির্ধারণ করা হয়েছে।
"‘ডাকছে বাংলাদেশ’ শুধু একটি স্লোগান নয়, বরং বড় ধরনের পরিবর্তনের সূচনার উদ্যোগ। প্রবাসীদের সঞ্চিত অর্থ, বৈশ্বিক যোগাযোগ ও পেশাগত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে প্রযুক্তিনির্ভর ও উচ্চমূল্যের বিনিয়োগের কেন্দ্রে পরিণত করাই এর লক্ষ্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র), ঢাকা (বাংলাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আহসান এইচ মনসুর, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, আশিক চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ কোটি মার্কিন ডলার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ১০০টি শহর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!