📌 জি-৭ জোটের সদস্য দেশসমূহ ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল মজুত বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা হুমকি প্রতিহত করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জ্বালানির দাম কমাতে এবং সরবরাহ সংকট মোকাবেলায় এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য
জি-৭ জোটের সদস্য দেশসমূহ বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল। তারা ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল মজুত বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপের পিছনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা হুমকি ছিল। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকটের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জি-৭ জোটের সদস্য দেশসমূহ ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল মজুত বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিল।
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা হুমকি প্রতিহত করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
- 📌 প্রথম ২০ দিনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে জি-৭।
- 📌 জ্বালানির দাম কমাতে এবং সরবরাহ স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্সের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নও এই সিদ্ধান্তে সম্মত হয়েছে।
- 📌 ট্রাম্পের হুমকির পর ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের মজুত থেকে জ্বালানি ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
- 📌 অপরিশোধিত তেলের দাম সাময়িকভাবে ব্যারেলপ্রতি ১০২ ডলারে উঠে গেছে।
📰 বিস্তারিত
জি-৭ জোটের সদস্য দেশসমূহের বৈঠকে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল মজুত বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিল। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো জ্বালানির দাম কমাতে এবং সরবরাহ সংকটের সমাধান করা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা হুমকি প্রতিহত করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
জি-৭ জোটের সদস্য দেশসমূহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্সের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নও এই সিদ্ধান্তে সম্মত হয়েছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁ জানান, জোটটি চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দশ কোটি ব্যারেল জ্বালানি মজুত বাজারে ছাড়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। এই কার্যক্রম আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) এর সমন্বয়ে পরিচালিত হবে।
মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের আগের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, জ্বালানির দাম বাড়ার পুরো বোঝা যেন মার্কিন কৃষক, ট্রাকচালক ও ব্যবসায়ীদের ওপর না পড়ে। পরিবহন ও কৃষিকাজে ডিজেলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ফলে ডিজেলের দাম বাড়লে খাদ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেড়ে যেতে পারে।
জি-৭ নেতাদের বৈঠকের পর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁ বলেন, জোটটি চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দশ কোটি ব্যারেল জ্বালানি মজুত বাজারে ছাড়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। এই কার্যক্রম আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) এর সমন্বয়ে পরিচালিত হবে। যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করা পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলেন, এসব পদক্ষেপ জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করবে এবং পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেবে।
"ইউরোপ তাদের বিপুল পরিমাণ মজুত ডিজেল ছাড়তে সম্মত হয়েছে। এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে।"
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, "বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ বিষয়ে খুব স্পষ্ট ছিলেন।" তিনি পরে হোয়াইট হাউসে বলেন, ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি আসলে কখনোই টেবিলে ছিল না। জি-৭ এর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা আইইএ-র মাধ্যমে চার মাস ধরে সমন্বিতভাবে ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি বাজারে ছাড়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করব। কার্যক্রম অবিলম্বে শুরু হবে। এর মধ্যে প্রথম ২০ দিনের মধ্যেই জি-৭ সদস্য ও অংশীদার দেশগুলো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল বাজারে ছাড়বে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জি-৭ সদস্য দেশসমূহ (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স, ইউরোপীয় ইউনিয়ন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, এমানুয়েল ম্যাক্রঁ, এড মিলিব্যান্ড
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল, ২০ দিন, ১০২ ডলার (ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!