📌 যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী ক্রিস্টা পাইককে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও তিনি বেঁচে গেছেন। দুই ডোজ পেন্টোবার্বিটাল দেওয়ার পরও তার শ্বাস-প্রশ্বাস ছিল। আইনজীবীরা ঘটনার প্রমাণ সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী ক্রিস্টা পাইককে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। দুই ডোজ পেন্টোবার্বিটাল ইনজেকশন দেওয়ার পরও তিনি বেঁচে গেছেন এবং বর্তমানে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভেন্টিলেটরে চিকিৎসাধীন। আইনজীবীদের তথ্য অনুযায়ী, ইনজেকশন দেওয়ার সময় তার দুই হাতে গুরুতর আঘাত পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী ক্রিস্টা পাইককে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে; দুই ডোজ ইনজেকশন দেওয়ার পরও তিনি বেঁচে গেছেন।
- 📌 ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় তিনি শ্বাস নিচ্ছিলেন এবং নাক ডাকছিলেন, যা ঘটনাটিকে নজিরবিহীন করে তুলেছে।
- 📌 ইনজেকশন দেওয়ার সময় তার দুই হাতে পুড়ে ফোসকা পড়ার মতো জটিলতা দেখা দিয়েছে, যা আইনজীবীদের দাবি অনুযায়ী পেন্টোবার্বিটালের শরীরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে ঘটেছে।
- 📌 গভর্নর বিল লি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছেন এবং ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
- 📌 ১৯৯৫ সালে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমোরের হত্যার মামলায় ক্রিস্টা পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
৩০ সেপ্টেম্বর রাতে টেনেসির একটি কারাগারে ক্রিস্টা পাইককে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের বরাতে জানা গেছে, দুই ডোজ পেন্টোবার্বিটাল ইনজেকশন দেওয়ার পরও তিনি শ্বাস নিচ্ছিলেন এবং নাক ডাকছিলেন। পরে তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আইনজীবী স্টিফেন ফেরেল ও লুক ইহেন জানিয়েছেন, ইনজেকশন প্রয়োগের সময় তার শিরা খুঁজে পেতে সমস্যা হয়েছিল এবং পেন্টোবার্বিটাল শরীরের টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ায় তার দুই হাতে পুড়ে ফোসকা পড়েছে।
আদালতে আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ প্রচেষ্টার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব তথ্য ও প্রমাণ সংরক্ষণের আবেদন করেছেন। তারা আরও দাবি করেছেন, ঘটনার সব প্রমাণ সংরক্ষণ এবং দ্রুত শুনানির জন্য আদালতে আবেদন করেছেন। গভর্নর বিল লি ঘটনার পর চলতি বছরের বাকি সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছেন এবং স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে পুরো ঘটনার একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন।
ক্রিস্টা পাইক ১৯৯৫ সালে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমোরকে হত্যার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হন এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। যদি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতো, তাহলে ২০০০ সালের পর টেনেসিতে প্রথম নারী হিসেবে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতো। হত্যার শিকার কলিন স্লেমোরের পরিবার ঘটনাটিতে ক্ষুব্ধ ও হতাশ বলে জানিয়েছেন। তাদের প্রতিনিধিরা বলেছেন, পরিবারের সদস্যরা পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য পাচ্ছেন না।
ক্রিস্টার আইনজীবীরা গভর্নর বিল লির কাছে তার মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ডের পর তাকে আবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন আইনি প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ক্রিস্টা পাইকের ঘটনাটি এ ধরনের ব্যর্থতার ক্ষেত্রে নজিরবিহীন বলে বিবেচিত হচ্ছে।
"পেন্টোবার্বিটাল শরীরের টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ায় তার দুই হাত ফুলে যায়, পুড়ে যায় এবং ফোসকা পড়ে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টেনেসি অঙ্গরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস্টা পাইক, স্টিফেন ফেরেল, লুক ইহেন, গভর্নর বিল লি, কলিন স্লেমোর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ বছর (ক্রিস্টা পাইকের বয়স), ৩০ সেপ্টেম্বর (মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!