📌 যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় আগামী বছর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু মাদুরো-পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার জরুরি। তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ পুনর্গঠন এবং সুপ্রিম কোর্ট পুনর্গঠন ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় আগামী বছর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু মাদুরো-পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার জরুরি। তিনি বলেছেন, নির্বাচনকে ‘আদর্শ সময়’ হিসেবে দেখছেন, তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচন হবে—এমন নিশ্চয়তা দিতে রাজি নন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় আগামী বছর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু মাদুরো-পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য সুপ্রিম কোর্ট ও নির্বাচন কাউন্সিল পুনর্গঠন জরুরি
- 📌 রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে; ডিসেম্বর মাঝামাঝি সময়ে সুপ্রিম কোর্ট পুনর্গঠনের আশা
- 📌 ভেনেজুয়েলার ২০০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ পুনর্গঠন না হলে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কঠিন হবে
- 📌 মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও ঋণ পুনর্গঠন পরস্পর সম্পর্কিত; পাওনাদাররা ঋণ পুনর্গঠন না হলে ভেনেজুয়েলার সম্পদ জব্দ করতে পারে
- 📌 রুবিও বলেন, ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনীর সমর্থন নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানো দরকার
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হোয়াইট হাউসে নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক উত্তরণে সহায়তা করছে ওয়াশিংটন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্ট ও নির্বাচন কাউন্সিল পুনর্গঠন, নিরাপত্তা বাহিনীতে সংস্কার এবং জাতীয় ঋণ পুনর্গঠনকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। রুবিও বলেন, ‘আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে মানুষ সন্তুষ্ট হবে।’
রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। এসব আলোচনার মাধ্যমে আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট পুনর্গঠনের আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়া নতুন নির্বাচন কাউন্সিলের সদস্য নিয়োগ নিয়ে আগামী সপ্তাহে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলায় ভবিষ্যৎ সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীর সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘বিশ্বের যেকোনো দেশ পরিচালনা করতে হলে নিরাপত্তা বাহিনীর সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে। কারণ দেশ পরিচালনার জন্য তাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।’
ভেনেজুয়েলার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশটির বিপুল ঋণ। রুবিওর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটির মোট ঋণের পরিমাণ ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তিনি বলেন, এই ঋণ পুনর্গঠন না হলে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা কঠিন হবে। নিউইয়র্ক টাইমসকে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা ভবিষ্যতে প্রত্যাহারের ক্ষেত্রেও ঋণ পুনর্গঠন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ঋণ পুনর্গঠন না হলে পাওনাদাররা ভেনেজুয়েলার সম্পদ জব্দ করার উদ্যোগ নিতে পারেন।
রুবিও আরও বলেছেন, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের পক্ষেও মত দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে দেশটিতে দায়িত্ব পালনরত মার্কিন সেনাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি চুক্তির সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে এখনো বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। তার মতে, নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়লে ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনীর সক্ষমতাও উন্নত হতে পারে।
"আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে মানুষ সন্তুষ্ট হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভেনেজুয়েলা, যুক্তরাষ্ট্র (হোয়াইট হাউস, নিউইয়র্ক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কো রুবিও (মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ বিলিয়ন ডলার (ভেনেজুয়েলার ঋণ), ৫ নভেম্বর (সাক্ষাৎকারের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!