📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস থেকে CNN, MSNBC-এর সাবেক চ্যানেল MS Now এবং পলিটিকোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তিনি এসব মিডিয়ার বিরুদ্ধে তার প্রশাসন সম্পর্কে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশের অভিযোগ তোলেন। সংবিধানের প্রথম সংশোধনী নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের প্রবেশাধিকার থেকে CNN, এমএস নাউ (সাবেক MSNBC) এবং সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তিনি এসব মিডিয়ার বিরুদ্ধে তার প্রশাসন সম্পর্কে ‘ভুয়া খবর’ প্রচারের অভিযোগ তোলেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাদের হোয়াইট হাউস থেকে বাদ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস থেকে CNN, এমএস নাউ ও পলিটিকোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন
- 📌 ট্রাম্পের অভিযোগ: এসব মিডিয়া তার প্রশাসন সম্পর্কে নিয়মিতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে
- 📌 তিনি দাবি করেন, জো বাইডেনের প্রশাসন পলিটিকোকে ৮ মিলিয়ন ডলার খরচ করে সচল রাখত
- 📌 সংবিধানের প্রথম সংশোধনী নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে; CNN বলেছে, নিষেধাজ্ঞা সংবিধানবিরোধী
- 📌 ট্রাম্প বলেছেন, ভবিষ্যতে আরও মিডিয়া নিষিদ্ধ হতে পারে যদি মিথ্যা সংবাদ অব্যাহত থাকে
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, তিনি হোয়াইট হাউস থেকে এ তিনটি মিডিয়াকে নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান তার প্রশাসন সম্পর্কে নিয়মিতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে। ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন পলিটিকোকে সচল রাখতে প্রায় ৮ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিল। তিনি এ ঘটনাকে ‘দুর্নীতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রেসিডেন্ট বলেন, কোনো মিডিয়া তার প্রশাসন বা যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে নিয়মিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করা উচিত নয়। তিনি জানান, যদি এ ধরনের প্রতিবেদন অব্যাহত থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে আরও মিডিয়া নিষিদ্ধ করা হতে পারে। একই সময়ে, ওভাল অফিসে এক সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন যে, সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করছেন। ট্রাম্পের জবাব ছিল, তিনি এসব মিডিয়ার বিরুদ্ধে ‘ভুয়া খবর’ প্রচারের অভিযোগ পুনরাবৃত্তি করে বলেন, মানুষ বারবার মিথ্যা সংবাদ পড়তে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি সৎ ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতাও প্রয়োজন। তবে মিডিয়া যদি তাদের সংবাদ পরিবেশনের মান উন্নত করে, তাহলে তিনি তাদের আবার হোয়াইট হাউসে ফিরে আসতে চান। ট্রাম্প দাবি করেন, তার প্রশাসন ভালো কাজ করেছে এবং অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানও তার পক্ষে রয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি অর্থ প্রবেশ করছে।
"প্রেসিডেন্ট, তার প্রশাসন কিংবা যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে কোনো সংবাদমাধ্যমের নিয়মিতভাবে মিথ্যা বা কল্পিত তথ্য প্রকাশ করা উচিত নয়।"
শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত CNN, এমএস নাউ ও পলিটিকোর সাংবাদিকরা হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে অবস্থান করছিলেন। ট্রাম্পের ঘোষণার পর এমএস নাউ ও পলিটিকো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে CNN তাদের সাংবাদিকদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তারা বলেছে, হোয়াইট হাউস কাভার করা তাদের সাংবাদিকেরা নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য কাজ করছেন। তারা দাবি করেছেন, সরকারের বাধা বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের অধিকার তাদের সংবিধান দ্বারা নিশ্চিত।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, জো বাইডেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি মিডিয়া (CNN, MS Now, পলিটিকো); ৮ মিলিয়ন ডলার; ১৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!