📌 অস্ট্রেলিয়ার পার্থ বিচে সাঁতারু গ্রেগ ও’নিলের মৃত্যুতে হাঙরের হামলার পর কর্তৃপক্ষ প্রথমবারের মতো সংরক্ষিত গ্রেট হোয়াইট শার্ককে হত্যার নির্দেশ দিয়েছে। সাঁতারুর মৃতদেহ এখনো উদ্ধার করা যায়নি এবং উপকূলীয় এলাকা বন্ধ রাখা হয়েছে
অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম অঞ্চলে পার্থের জনপ্রিয় সোরেন্টো বিচে সাঁতার কাটছিলেন ৬৩ বছর বয়সী গ্রেগ ও’নিল। শুক্রবার সকালে তিনি হাঙরের প্রাণঘাতী হামলার শিকার হন। তার মৃতদেহ এখনো উদ্ধার করা যায়নি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই হাঙরটি ধরে হত্যার বিরল নির্দেশ দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬৩ বছর বয়সী গ্রেগ ও’নিলের মৃতদেহ এখনো উদ্ধার করা যায়নি, হাঙরের হামলায় নিখোঁজ অবস্থায় রয়েছে তিনি।
- 📌 পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার মৎস্যমন্ত্রী জ্যাকি জারভিস জানিয়েছেন, হাঙরটিকে ধরে হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে — এটি ১০ বছরে প্রথম।
- 📌 পার্থসহ উপকূলীয় এলাকায় রবিবার দুপুর পর্যন্ত সৈকত বন্ধ রাখা হয়েছে।
- 📌 চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ায় হাঙর হামলায় পাঁচজন মৃত্যু হয়েছে, এর মধ্যে পার্থ বিচে এটি দ্বিতীয় ঘটনা।
📰 বিস্তারিত
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পার্থের সোরেন্টো বিচে দুজন সাঁতারু সাঁতার কাটছিলেন। তাদের একজন তীরে ফিরলেও অন্যজন হাঙরের হামলায় আক্রান্ত হন। স্থানীয়রা জানান, হামলার সময় প্রায় ২.৫ মিটার লম্বা একটি গ্রেট হোয়াইট শার্ক ছিল। পুলিশ নৌযান ও হেলিকপ্টার দিয়ে উপকূলীয় এলাকায় তল্লাশি চালায়।
মৎস্যমন্ত্রী জ্যাকি জারভিস বলেন, শনিবার সকালে জলপুলিশ হাঙরটিকে দেখতে পায় এবং হামলায় জড়িত হাঙর হিসেবে শনাক্ত করে। তিনি জানান, ব্যবহারিক পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তার ঝুঁকি বিবেচনায় হাঙরটিকে ধরে হত্যার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গ্রেট হোয়াইট শার্ক অস্ট্রেলিয়ায় সংরক্ষিত প্রজাতি হওয়ায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিরল ও বিতর্কিত।
চলতি সপ্তাহে পার্থ বিচে এটি দ্বিতীয় হাঙর হামলা। সোমবার জেরাল্ডটনের উপকূলে হাঙরের কামড়ে এক সার্ফার গুরুতর আহত হন।
"প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই ব্যক্তি সাঁতার কাটছিলেন। তাদের একজন তীরে ফিরলেও অন্যজন হাঙরের হামলার শিকার হন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পার্থ, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্রেগ ও’নিল (৬৩), জ্যাকি জারভিস (মৎস্যমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ বছর বয়স, ১৯ সেপ্টেম্বর, ১০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!