📌 প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত শীর্ষক আলোচনায় বলেছেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য। তিনি টেকসই উন্নয়নের পরিবেশ সৃষ্টির পাঁচটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘লিডিং এসডিজি অ্যাকশন’ শীর্ষক বৈশ্বিক লিডার্স ডায়ালগে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সাশ্রয়ী, ন্যায্য ও ঝুঁকি-সংবেদনশীল অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর ব্যাপক সংস্কারের দাবি তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর নিউইয়র্কে জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক আলোচনায় বলেছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো সংস্কার ছাড়া টেকসই উন্নয়ন অসম্ভব
- 📌 তিনি পাঁচটি অগ্রাধিকার উল্লেখ করেছেন: ঝুঁকি আগাম শনাক্তকরণ, ঝুঁকিপ্রবণ দেশের কণ্ঠস্বর জোরদার, দীর্ঘমেয়াদি ন্যায্য অর্থায়ন, জাতীয়-আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সমন্বয় ও এলডিসি-র নমনীয় সহায়তা
- 📌 বাংলাদেশের ‘এসডিজি ভিলেজ’ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নিরাপদ পানি, নারীর ক্ষমতায়ন ও জলবায়ু সহনশীলতা বাস্তবায়নের উদাহরণ তুলে ধরেন
- 📌 অনুষ্ঠানে অংশ নেন ইউরোপীয় কমিশনের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট তেরেসা রিবেরা, বেনিনের অর্থমন্ত্রী আরিস্তিদ মেদেনু ও পানামার সামাজিক উন্নয়নমন্ত্রী বিয়াত্রিস কার্লেস দে আরাঙ্গো
📰 বিস্তারিত
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক লিডার্স ডায়ালগে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, ‘আমাদের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি হতে হবে সম্মিলিত ও ভবিষ্যৎমুখী। আমাদের এমন একটি বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা শুধু উন্নয়নে অর্থায়নই করবে না, বরং উন্নয়নকে টেকসই করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশও সৃষ্টি করবে।’
বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার পাঁচটি অগ্রাধিকার তিনি তুলে ধরেন। প্রথমত, সংকট মোকাবিলায় প্রতিক্রিয়াশীল পদ্ধতির পরিবর্তে ঝুঁকি আগাম শনাক্ত ও প্রশমনে সক্ষম আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা। দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ঝুঁকিপ্রবণ দেশগুলোর কণ্ঠস্বর জোরদার করা। তৃতীয়ত, দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পব্যয়ী ও ন্যায্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা। চতুর্থত, জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সমন্বয় বাড়ানো। পঞ্চমত, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে নমনীয় সহায়তা ও অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা অব্যাহত রাখা।
তিনি বাংলাদেশের ‘এসডিজি ভিলেজ’ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়নের উদাহরণ তুলে ধরেন। এই উদ্যোগের আওতায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চাহিদা ও অগ্রাধিকারকে কেন্দ্র করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল সেবা ও জলবায়ু সহনশীলতা সমন্বিতভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় কমিশনের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট তেরেসা রিবেরা, বেনিনের অর্থমন্ত্রী আরিস্তিদ মেদেনু ও পানামার সামাজিক উন্নয়নমন্ত্রী বিয়াত্রিস কার্লেস দে আরাঙ্গো অংশ নেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাউথ আফ্রিকান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের শেরউইন ব্রাইস-পিস।
"আমাদের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি হতে হবে সম্মিলিত ও ভবিষ্যৎমুখী। আমাদের এমন একটি বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা শুধু উন্নয়নে অর্থায়নই করবে না, বরং উন্নয়নকে টেকসই করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশও সৃষ্টি করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, জাতিসংঘ সদর দপ্তর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, তেরেসা রিবেরা, আরিস্তিদ মেদেনু, বিয়াত্রিস কার্লেস দে আরাঙ্গো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (পাঁচটি অগ্রাধিকার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!