📌 জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জলবায়ু পরিবর্তন ও রোহিঙ্গা সংকটকে তিনি প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরবেন। এতে জিয়া পরিবারের তিন সদস্যের ভাষণে ৪০ বছরেরও বেশি সময়ের ধারাবাহিকতা চিহ্নিত হবে
জাতিসংঘের প্রধান মঞ্চে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে রওনা হয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। এতে জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা সংকট, দারিদ্র্য বিমোচন ও বৈশ্বিক শান্তির বিষয়গুলো প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে আলোচিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান — জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো এই মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন তিনি।
- 📌 জলবায়ু পরিবর্তন ও রোহিঙ্গা সংকট প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের প্রধান বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- 📌 ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জলবায়ু অর্থায়ন বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
- 📌 ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও ১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়া জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছিলেন। তারেক রহমানের ভাষণে এই পরিবারের ৪০ বছরেরও বেশি সময়ের ধারাবাহিকতা চিহ্নিত হবে।
- 📌 পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের তাৎপর্য বাড়িয়ে দিয়েছে এই পদ।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের প্রধান মঞ্চে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে রওনা হয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। এতে জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা সংকট, দারিদ্র্য বিমোচন ও বৈশ্বিক শান্তির বিষয়গুলো প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে আলোচিত হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তার অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরবে। অন্যদিকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। এতে দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন অগ্রাধিকার, বৈশ্বিক শান্তি এবং আন্তর্জাতিক সংকটের টেকসই সমাধানের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার ভাষণে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে বৈষম্য, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছিল। এর ১৩ বছর পর ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রথমবার সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন। পরবর্তীতে তিনি আরও পাঁচবার (১৯৯৩-২০০৫) বিভিন্ন অধিবেশনে বক্তব্য দিয়েছিলেন।
এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো একই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন তারেক রহমান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের তাৎপর্য বাড়িয়ে দিয়েছে এই পদ।
"প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তার অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরবে।"
"প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। এতে দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন অগ্রাধিকার, বৈশ্বিক শান্তি এবং আন্তর্জাতিক সংকটের টেকসই সমাধানের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ সদর দফতর), ঢাকা (উড্ডয়ন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ সেপ্টেম্বর (ভাষণ তারিখ), ৮১তম অধিবেশন, ১৯৮০ (জিয়াউর রহমানের প্রথম ভাষণ), ১৯৯৩ (খালেদা জিয়ার প্রথম ভাষণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!