📌 বাইপাইল থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত সড়কের খানাখন্দ, ভাঙাচোরা ও নির্মাণকাজের কারণে যানচলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। সড়কের দুরবস্থা মানুষের ভোগান্তি, পণ্য পরিবহনের ব্যয় বাড়িয়ে তুলছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ শেষ হবে, কিন্তু বর্তমান অবস্থা মেনে নেওয়া যাবে না
বাইপাইল থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত সড়কের বর্তমান অবস্থা মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। সাভারের বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে আশুলিয়া বাজার পর্যন্ত সড়কের খানাখন্দ, ভাঙাচোরা ও নির্মাণকাজের কারণে যানচলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই সড়কের দুরবস্থা আরও জটিল করেছে। সড়কের বিভিন্ন অংশে সংকুচিত হওয়ায়, কার্পেটিং ও ড্রেন নির্মাণের কারণে প্রতিদিন যাত্রী, পরিবহনশ্রমিক, ব্যবসায়ী ও শিল্পকারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাইপাইল-আশুলিয়া সড়ক সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ও বাসিন্দা চলাচল করেন।
- 📌 সড়কের বিভিন্ন অংশে খানাখন্দ, ভাঙাচোরা ও উঁচু-নিচু অংশের কারণে যানবাহনের যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং পণ্য পরিবহনে বাড়তি ব্যয় বাড়ছে।
- 📌 বোরাক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে জিরাব বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে গর্ত ও উঁচু-নিচু অংশের কারণে সিরামিকসহ পণ্য ভেঙে যাচ্ছে।
- 📌 ২ সেপ্টেম্বর ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত ৩.৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সার্ভিস সেতু খুলে দেওয়া হলেও, বর্তমান অবস্থা মেনে নেওয়া যাবে না।
- 📌 কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আশুলিয়া থেকে বাইপাইল ও ইপিজেড পর্যন্ত এক পাশের দুই লেনের কাজ শেষ করা।
📰 বিস্তারিত
বাইপাইল মোড় থেকে বগাবাড়ী পর্যন্ত সড়কের ইটের সলিং উঠে গিয়ে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। নরসিংহপুর ও নিশ্চিন্তপুরে নির্মাণ ও ড্রেনের কাজের কারণে সড়ক সংকুচিত হয়ে গেছে। এই দুরবস্থার কারণে যানবাহনের যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং পণ্য পরিবহনে বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে। এমনকি সড়কের দুরবস্থার কারণে অনেক বাসিন্দাকে আশুলিয়ার বদলে সাভারে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
২ সেপ্টেম্বর ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত ৩.৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সার্ভিস সেতু খুলে দেওয়া হলেও, প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আশুলিয়া থেকে বাইপাইল ও ইপিজেড পর্যন্ত এক পাশের দুই লেনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে বর্তমান অবস্থা মেনে নেওয়ার কোনো যুক্তি নেই। কর্তৃপক্ষের দাবি, বৃষ্টিতে সড়ক নষ্ট হওয়ায় রক্ষণাবেক্ষণ কঠিন, কিন্তু তা দায়িত্ব এড়ানোর কারণ হতে পারে না। নির্মাণকাজ চলাকালে ব্যবহারযোগ্য সড়ক রাখা, ঝুঁকিপূর্ণ অংশ মেরামত, পানিনিষ্কাশন নিশ্চিত করা এবং নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে রাখা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।
উন্নয়ন কাজ মানুষের দুর্ভোগ কমানোর জন্য করা হয়, কিন্তু সেই কাজের কারণে যদি মানুষের ভোগান্তি বাড়ে, তাহলে কাজের পাশাপাশি তার ব্যবস্থাপনাও প্রশ্নের মুখে পড়ে। বাইপাইল-আশুলিয়া সড়কের দুরবস্থা শুধু মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তিতে সীমাবদ্ধ নয়; বাড়ছে পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয়ও।
"উন্নয়ন মানুষের জন্য—মানুষকে উন্নয়নের ভোগান্তির কাছে জিম্মি করে নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাইপাইল, আশুলিয়া, সাভার, নরসিংহপুর, নিশ্চিন্তপুর, বোরাক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, জিরাব বাসস্ট্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যাত্রী, পরিবহনশ্রমিক, ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাসিন্দা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ সেপ্টেম্বর, ৩.৭১ কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!