📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২৬ কোটি টাকা বিনষ্টে বড় প্রকল্পে তোড়জোড়: ছোট হিমাগার প্রকল্পের ব্যর্থতা ও কৃষকদের ক্ষতি

২৬ কোটি টাকা বিনষ্টে বড় প্রকল্পে তোড়জোড়: ছোট হিমাগার প্রকল্পের ব্যর্থতা ও কৃষকদের ক্ষতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দুটি প্রকল্পে ২৬ কোটি টাকা ব্যয়ের পরও ছোট হিমাগারগুলো কার্যকর না হওয়ায় সরকার বড় প্রকল্পে তোড়জোড় শুরু করেছে। প্রকল্পের মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, হিমাগারগুলোতে ফল-সবজির গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) দুটি ছোট হিমাগার প্রকল্পে প্রায় ২৬ কোটি টাকা ব্যয়ের পরও কার্যকারিতা না থাকায় সরকারের অর্থ অপচয় হচ্ছে এবং প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে। প্রকল্প দুটির মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, হিমাগারগুলোতে ফল-সবজির গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং কৃষকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আরও প্রায় দুই হাজার হিমাগার তৈরির প্রকল্প ঘোষণা করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডিএইর দুটি প্রকল্পে ২৬ কোটি টাকা ব্যয়ের পরও ১৮০টি হিমাগারের মধ্যে মাত্র ১৫০টি নির্মিত হয়েছে, যার মধ্যে ৫০টি সচল নয়।
  • 📌 ১২ কোটি টাকার প্রথম প্রকল্পে ১০০টি হিমাগার নির্মাণের পর ৫০টি বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় বন্ধ রয়েছে।
  • 📌 ১৪ কোটি টাকার দ্বিতীয় প্রকল্পে ৮০টি হিমাগারের মধ্যে মাত্র ৫০টি নির্মিত হয়েছে, এবং কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত সুফল পাচ্ছেন না।
  • 📌 প্রকল্পের মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিমাগারগুলোতে ফল-সবজির গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নয়।
  • 📌 কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আরও প্রায় দুই হাজার হিমাগার তৈরির প্রকল্প ঘোষণা করেছেন।
  • 📌 কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাইলট প্রকল্পের সফলতার মাত্রা দেখেই বড় প্রকল্পের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

📰 বিস্তারিত

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) দুটি প্রকল্পে মোট ২৬ কোটি টাকা ব্যয়ের পরও কার্যকারিতা না থাকায় সরকারের অর্থ অপচয় হচ্ছে। প্রথম প্রকল্পে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০০টি ছোট হিমাগার নির্মাণের পর, বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় ৫০টি হিমাগার বন্ধ রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হিমাগারগুলোতে ফল-সবজির গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং কৃষকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

দ্বিতীয় প্রকল্পে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮০টি হিমাগার নির্মাণের পর মাত্র ৫০টি নির্মিত হয়েছে। প্রকল্পের পরিচালক তালহা জুবাইর মাসরুর জানান, হিমাগারের স্থান নির্ধারণ ও কৃষক নির্বাচনে অস্বচ্ছতা রয়েছে। কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত সুফল পাচ্ছেন না। উদাহরণস্বরূপ, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কৃষক কামাল পারভেজ বলেন, হিমাগারে রাখা সবজির গুণগত মান ভালো থাকে না। কুমিল্লার শরীফ হোসেন এবং গাজীপুরের শাহিনুর ইসলাম শাহিনও একই অভিযোগ করেন।

প্রকল্পের মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিমাগারগুলোতে স্বল্প সময়ে ফল-সবজি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং সংরক্ষিত ফসলের গুণগত মান ঠিক থাকছে না। ডিএইর অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আর প্রকল্প সম্প্রসারণ না করে অধিকতর গবেষণা করা উচিত। কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত পরিচালক মো. রওশন আলম বলেন, প্রকল্প মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বাস্তবে পেয়েছি সেটাই লিখেছি।

"বাস্তবে যেটা পেয়েছি, সেটাই আমরা প্রকল্প মূল্যায়ন প্রতিবেদনে লিখেছি। সরকারি অর্থ অপচয় হচ্ছে কি না, সেটা যাচাই করেছি।"

— ডিএইর অতিরিক্ত পরিচালক মো. রওশন আলম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, গাজীপুর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, কৃষক কামাল পারভেজ, শরীফ হোসেন, শাহিনুর ইসলাম শাহিন, মো. রওশন আলম, তালহা জুবাইর মাসরুর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ কোটি টাকা, ১৮০টি হিমাগার, ১৫০টি নির্মিত, ১২ কোটি টাকা, ১০০টি হিমাগার, ৫০টি সচল নয়, ১৪ কোটি টাকা, ৮০টি হিমাগার, ৫০টি নির্মিত, ২৬টি পরিদর্শিত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖