📌 সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদের পতনের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠনে নাগরিক সমাজের ভূমিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নতুন সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা থাকলেও নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কাও প্রবল
দামেস্ক, সিরিয়া – দীর্ঘ গৃহযুদ্ধকালীন সময়ে রাষ্ট্রের বাইরে কাজ করা বহু সিরীয় নাগরিক সমাজের নেতারা এখন সরকারের অংশ হয়ে উঠছেন। স্থানীয় প্রশাসন পরিষদ ইউনিটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বাহজাত হাজ্জারের মতো ব্যক্তিরা এক সময় তুরস্ক ও বিরোধী নিয়ন্ত্রিত উত্তর সিরিয়ায় কাজ করলেও এখন তারা সরকারের উপ-সামাজিক কল্যাণ ও শ্রমমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর মতে, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে নাগরিক সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হন ৮ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে, যা ১৩ বছরের গৃহযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়।
- 📌 স্থানীয় প্রশাসন পরিষদ ইউনিটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বাহজাত হাজ্জার এখন উপ-সামাজিক কল্যাণ ও শ্রমমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- 📌 পূর্ববর্তী শাসনামলে গড়ে বছরে মাত্র ১০টি সংগঠন নিবন্ধিত হতো, যার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গোয়েন্দা সংস্থার হস্তক্ষেপ ছিল অপরিহার্য।
- 📌 নতুন সরকারের অধীনে সংগঠন নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে, যার ফলে ২০২৬ সালের মধ্যে সংগঠনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
- 📌 সিরিয়ার গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিয়ে কাজ করা সংস্থা ‘দ্য ডে আফটার’-এর নির্বাহী পরিচালক মুতাসেম সিউফির মতে, যুদ্ধাবস্থায় একটি পরিপক্ক নাগরিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
- 📌 সিরিয়ার নাগরিক সমাজের বিকাশ ঘটেছে বিভিন্ন স্তরে – পুরাতন দাতব্য সংস্থা, সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় রাজনৈতিক অভিনেতাদের সঙ্গে যুক্ত নতুন সংগঠন, বিদ্রোহের সময় জন্ম নেওয়া ত্রাণ সংস্থা এবং ২০১১ সালের প্রতিবাদ আন্দোলনের সময় প্রতিষ্ঠিত সমন্বয় কমিটি।
📰 বিস্তারিত
সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদের পতনের পর দেশটির নাগরিক সমাজ রাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তুলছে। যুদ্ধকালীন সময়ে যারা রাষ্ট্রের অনুপস্থিতিতে স্কুল, ক্লিনিক ও রুটি তৈরির কারখানা পরিচালনা করেছেন, তারা এখন সরকারের অংশ হয়ে উঠছেন। উপ-সামাজিক কল্যাণ ও শ্রমমন্ত্রী বাহজাত হাজ্জার বলেন, “রাষ্ট্র পুনর্গঠনে নাগরিক সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী শাসনামলে মন্ত্রণালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থার হস্তক্ষেপ ছিল অপরিহার্য। “এই মন্ত্রণালয়ের কোনো মন্ত্রীই নিরাপত্তা সংস্থার অনুমোদন ছাড়া দায়িত্ব পালন করতে পারতেন না।” যুদ্ধের সময় বছরে মাত্র ১০টি সংগঠন নিবন্ধিত হতো, কিন্তু নতুন সরকারের অধীনে এই প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে।
সিরিয়ার গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিয়ে কাজ করা সংস্থা ‘দ্য ডে আফটার’-এর নির্বাহী পরিচালক মুতাসেম সিউফি বলেন, যুদ্ধাবস্থায় একটি পরিপক্ক নাগরিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, সিরিয়ার নাগরিক সমাজের বিকাশ ঘটেছে বিভিন্ন স্তরে – পুরাতন দাতব্য সংস্থা, সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় রাজনৈতিক অভিনেতাদের সঙ্গে যুক্ত নতুন সংগঠন, বিদ্রোহের সময় জন্ম নেওয়া ত্রাণ সংস্থা এবং ২০১১ সালের প্রতিবাদ আন্দোলনের সময় প্রতিষ্ঠিত সমন্বয় কমিটি।
"রাষ্ট্র পুনর্গঠনে নাগরিক সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
"এই মন্ত্রণালয়ের কোনো মন্ত্রীই নিরাপত্তা সংস্থার অনুমোদন ছাড়া দায়িত্ব পালন করতে পারতেন না।"
"কিন্তু নিবন্ধনের দ্বার উন্মুক্ত হওয়াকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শক্তিশালী নাগরিক সমাজ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দামেস্ক, সিরিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাহজাত হাজ্জার, মুতাসেম সিউফি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর (গৃহযুদ্ধকালীন সময়), ১০টি সংগঠন (বার্ষিক নিবন্ধন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!