📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নীলফামারী ডিমলা হাসপাতালে ৩৩টি চিকিৎসক পদে মাত্র ১৩ জন দায়িত্বে, শূন্য পদ ও প্রেষণে চিকিৎসকদের সংকটে ভোগান্তি রোগীদের

নীলফামারী ডিমলা হাসপাতালে ৩৩টি চিকিৎসক পদে মাত্র ১৩ জন দায়িত্বে, শূন্য পদ ও প্রেষণে চিকিৎসকদের সংকটে ভোগান্তি রোগীদের

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নীলফামারী ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৩টি অনুমোদিত চিকিৎসক পদে মাত্র ১৩ জন নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। প্রেষণে অন্যত্র কর্মরত ৪ জন চিকিৎসক ও শূন্য বিশেষজ্ঞ পদে রোগীরা চিকিৎসা সংকটের শিকার হচ্ছেন

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটের চিত্র আরও জটিল হয়ে পড়েছে। ৩৩টি অনুমোদিত চিকিৎসক পদে মাত্র ১৩ জন নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। প্রেষণে অন্যত্র কর্মরত ৪ জন চিকিৎসক ও শূন্য বিশেষজ্ঞ পদে রোগীদের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৩টি চিকিৎসক পদে মাত্র ১৩ জন নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন, বাকি ১৬টি পদ শূন্য
  • 📌 প্রেষণে অন্যত্র কর্মরত ৪ জন চিকিৎসক হলেন: ডা. রিপন কুমার সরকার (ইএনটি), ডা. নিরঞ্জন কুমার রায় (প্যাথলজিস্ট), ডা. সাজেদুর রহমান চৌধুরী (মেডিকেল অফিসার), ডা. মৌসুমী বৈষ্ণব (সহকারী সার্জন)
  • 📌 শিশু ও গাইনি বিশেষজ্ঞ পদ শূন্য থাকায় নারী ও শিশুরা বিশেষজ্ঞ সেবা থেকে বঞ্চিত
  • 📌 প্রতিদিন ৫০০-৬০০ রোগী চিকিৎসা নেওয়ার চাপে মাত্র ১৩ জন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন, যার মধ্যে ২ জন ডেন্টাল সার্জন ও ১১ জন মেডিকেল অফিসার
  • 📌 ওয়ার্ডবয়, আয়ার ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদেও সংকট, হাসপাতালের দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত

📰 বিস্তারিত

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটের কারণে রোগীদের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে অনুমোদিত চিকিৎসক পদ ৩৩টি, কিন্তু কাগজে কর্মরত দেখানো হচ্ছে মাত্র ১৭ জন। এর মধ্যে ৪ জন দীর্ঘদিন ধরে প্রেষণে অন্যত্র দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে বাস্তবে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ১৩ জন চিকিৎসক।

প্রেষণে কর্মরত ৪ জন চিকিৎসকের মধ্যে রয়েছে: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (ইএনটি) ডা. রিপন কুমার সরকার, প্যাথলজিস্ট ডা. নিরঞ্জন কুমার রায়, মেডিকেল অফিসার ডা. সাজেদুর রহমান চৌধুরী এবং সহকারী সার্জন ডা. মৌসুমী বৈষ্ণব। তাদের বেতন-ভাতা হাসপাতালের হিসেবেই উত্তোলন করা হচ্ছে, কিন্তু তাদের অনুপস্থিতিতে রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

হাসপাতালে প্রতিদিন বহির্বিভাগে গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রায়ই ১০০ ছাড়িয়ে যায়। এত বিপুল রোগীর চাপে মাত্র ১৩ জন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন। কর্মরত চিকিৎসকদের মধ্যে দুজন ডেন্টাল সার্জন এবং বাকি ১১ জন মেডিকেল অফিসার। তাদের মধ্যে একজনকে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ, ওয়ার্ড ও প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে চিকিৎসকদের ওপর বাড়তি চাপ পড়েছে।

চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন নারী ও শিশুরা। হাসপাতালে শিশু ও গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। অন্যদিকে ইএনটি বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. রিপন কুমার সরকার প্রেষণে অন্যত্র থাকায় নিয়মিত নাক-কান-গলা রোগীদের বিশেষজ্ঞ সেবাও ব্যাহত হচ্ছে। ফলে জটিল রোগী বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার প্রয়োজন এমন রোগীদের অনেক ক্ষেত্রেই নীলফামারী সদর বা রংপুরে পাঠানো হচ্ছে।

"আমরা ছোটবেলা থেকেই এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। কষ্ট করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার সাধ্য আমাদের নেই। আমরা চাই, সরকারি এই হাসপাতালেই যেন সব ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়।"

— টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের কৃষক ওয়াহাব আলী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নীলফামারী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. রিপন কুমার সরকার, ডা. নিরঞ্জন কুমার রায়, ডা. সাজেদুর রহমান চৌধুরী, ডা. মৌসুমী বৈষ্ণব, ওয়াহাব আলী, লিলি বেগম, আরমান ওয়াহিদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩টি চিকিৎসক পদ, ১৩ জন নিয়মিত চিকিৎসক, ১৭ জন কাগজে কর্মরত, ৫০০-৬০০ রোগী দৈনিক, ১০০+ ভর্তি রোগী, ৪ জন প্রেষণে কর্মরত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖