📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আমেরিকায় কি কু-ক্লাক্স-ক্লান নতুন শক্তি পাচ্ছে? সাদা উগ্রপন্থীরা কীভাবে জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছে?

আমেরিকায় কি কু-ক্লাক্স-ক্লান নতুন শক্তি পাচ্ছে? সাদা উগ্রপন্থীরা কীভাবে জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছে?

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আমেরিকার সাদা উগ্রপন্থী গোষ্ঠী কু-ক্লাক্স-ক্লান (KKK) নতুনভাবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বলে অভিযোগ। গবেষণা থেকে দেখা যায়, ৩২ শতাংশ আমেরিকান এই বিশ্বাসে যে অভিবাসীরা দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয় ধ্বংস করছে। সাদা উগ্রপন্থীরা ‘গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট থিওরি’ প্রচার করছে, যেখানে তারা অভিবাসীদেরকে ‘দেশের আক্রমণকারী’ হিসেবে দেখাচ্ছে। আল জাজীরা প্রতিবেদনে বলেছে, কু-ক্লাক্স-ক্লানের একটি শাখা ‘দ্য নাইটস পার্টি’ হিসেবে নিজেদের পুনঃব্র্যান্ডিং করছে, কিন্তু তাদের মূল দর্শন অপরিবর্তিত রয়েছে

আমেরিকার সাদা উগ্রপন্থী গোষ্ঠী কু-ক্লাক্স-ক্লান (KKK) নতুনভাবে শক্তি পাচ্ছে বলে আল জাজীরা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত দশক ধরে বিশেষজ্ঞরা সাদা উগ্রপন্থার পুনরুত্থানের আশঙ্কা প্রকাশ করছিলেন, যা প্রধানত ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রভাবের কারণে জোরালো হয়ে উঠেছে। আল জাজীরা প্রতিবেদনে বলেছে, ২০২৫ সালের একটি জরিপে ২০,০০০ আমেরিকানকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, “অভিবাসীরা আমাদের দেশ আক্রমণ করছে এবং আমাদের সাংস্কৃতিক ও জাতিগত পরিচয় পরিবর্তন করছে” — এই মন্তব্যের সাথে একমত কি? এই ‘গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট থিওরি’ নামে পরিচিত বিশ্বাসের ভিত্তি হলো অভিবাসী, ইহুদি এবং অ-সাদা গোষ্ঠী সাদা জনগোষ্ঠীকে প্রতিস্থাপন করতে চায়। জরিপে দেখা যায়, এই মন্তব্যের সাথে ৩২ শতাংশ প্রতিক্রিয়াদাতা — প্রায় তিনজন মধ্যে একজন — একমত পোষণ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৩২ শতাংশ আমেরিকান** বিশ্বাস করেন যে অভিবাসীরা দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয় ধ্বংস করছে — এই বিশ্বাসকে ‘গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট থিওরি’ বলা হয়।
  • 📌 **ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভাষ্য** অভিবাসনকে “দেশের আক্রমণ” হিসেবে উপস্থাপন করে, যা সাদা উগ্রপন্থীদের জনপ্রিয়তা বাড়ায়।
  • 📌 **কু-ক্লাক্স-ক্লানের শাখা ‘দ্য নাইটস পার্টি’** নিজেদের পুনঃব্র্যান্ডিং করছে, কিন্তু তাদের মূল দর্শন অপরিবর্তিত — তারা বলেছে, “এই একটি সাদা জাতীয়তাবাদী গীর্জা, তাই কালো ব্যক্তিরা স্বাগত নয়”।
  • 📌 **সাদা উগ্রপন্থী নেতা থমাস রব** বলেছেন, “জোহরান মামদানি বা আবদুল এল-সাইয়েদ আমেরিকান নন, কারণ তারা সাদা নন” — এমনকি যদি তারা আমেরিকান জন্মগ্রহণ করে।
  • 📌 **দক্ষিণ পোভার্টি লো লয় সেন্টার** অনুমান করেছে, বর্তমানে আমেরিকায় কমপক্ষে ১৫২টি সাদা উগ্রপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

আল জাজীরা প্রতিবেদনে বলেছে, সাদা উগ্রপন্থার পুনরুত্থান ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ঘটছে। ট্রাম্পের ভাষ্য অভিবাসনকে “দেশের আক্রমণ” হিসেবে উপস্থাপন করে, যা সাদা উগ্রপন্থীদের জনপ্রিয়তা বাড়ায়। ২০১৭ সালে ভার্জিনিয়ায় চার্লটসভিলে সাদা উগ্রপন্থীরা প্রতিবাদীদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিলেন, তখন ট্রাম্প বলেছিলেন, “দুই পক্ষেই ভালো লোক রয়েছে” — এই মন্তব্যটি সাদা উগ্রপন্থীদের সমর্থন বাড়ায়।

আল জাজীরা প্রতিবেদক ফিল ল্যাভেল আমেরিকার আর্কানসাসের বুন কাউন্টিতে গিয়েছিলেন, যেখানে কু-ক্লাক্স-ক্লানের একটি শাখা ‘দ্য নাইটস পার্টি’ হিসেবে নিজেদের পুনঃব্র্যান্ডিং করছে। এই গোষ্ঠীর নেতা থমাস রব বলেছেন, তারা “পরিবার ও ধর্ম”কে কেন্দ্র করে কাজ করছে। কিন্তু যখন ল্যাভেল জিজ্ঞাসা করেন যে কালো ব্যক্তিরা তাদের গীর্জায় স্বাগত জানাবে কি না, রবের উত্তর ছিল সরল: “না, কারণ এটি একটি সাদা জাতীয়তাবাদী গীর্জা”।

কু-ক্লাক্স-ক্লানের ইতিহাসে সাদা উগ্রপন্থীরা ১৮৬৫ সালে গৃহযুদ্ধের পরে শুরু হয়েছিল, যখন তারা সরকারের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেছিল যে কালো ও অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে সাংবিধানিক অধিকার দেওয়া হবে। তারা লিঞ্চিং ও অন্যান্য সহিংসতার মাধ্যমে অ-সাদা ব্যক্তিদের সরকারি অংশগ্রহণ বাধা দিয়েছিল। থমাস রব ১৯৮৯ সাল থেকে এই গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি নিজেকে “গ্র্যান্ড উইজার্ড” থেকে “ন্যাশনাল ডিরেক্টর” হিসেবে পরিচিতি দিয়েছেন এবং নতুন সদস্যদের গোপনীয়ভাবে মেইল মাধ্যমে যোগদান করতে অনুমতি দিয়েছেন। তবে তিনি সাদা উগ্রপন্থার মূল দর্শন থেকে পৃথক হননি।

"অভিবাসীরা আমাদের দেশ আক্রমণ করছে এবং আমাদের সাংস্কৃতিক ও জাতিগত পরিচয় পরিবর্তন করছে।"

ল্যাভেল রবকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “জোহরান মামদানি বা আবদুল এল-সাইয়েদের কী মনে করেন?” — এই দুইজন হলেন উচ্চপদস্থ আমেরিকান রাজনীতিবিদ যারা মুসলিম। রবের উত্তর ছিল, “প্রথমত, তারা আমেরিকান নন।” যখন ল্যাভেল বললেন যে এল-সাইয়েদ মিশিগানে জন্মগ্রহণ করেছেন, রব বললেন, “আমি জন্মস্থান সম্পর্কে চিন্তা করি না। তিনি সাদা নন, তাই তিনি আমেরিকান নন।” তিনি আরও বললেন, শুধুমাত্র সাদা অভিবাসীদের সন্তানই আমেরিকান হতে পারে, কারণ তারা সাদা।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আমেরিকা (বিশেষত আর্কানসাসের বুন কাউন্টি, ভার্জিনিয়ায় চার্লটসভিল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: থমাস রব (দ্য নাইটস পার্টির নেতা), ডোনাল্ড ট্রাম্প (সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট), ফিল ল্যাভেল (আল জাজীরা প্রতিবেদক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ শতাংশ (আমেরিকানদের মধ্যে ‘গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট থিওরি’ সমর্থনকারী), ২০,০০০ (জরিপে অংশগ্রহণকারী), ১৫২ (সক্রিয় সাদা উগ্রপন্থী গোষ্ঠী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖