📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১ হাজার ৪৮৫টি সরকারি পদে ২১ লাখের বেশি আবেদন! প্রতিযোগিতার নতুন রেকর্ড কীভাবে গড়া হয়?

১ হাজার ৪৮৫টি সরকারি পদে ২১ লাখের বেশি আবেদন! প্রতিযোগিতার নতুন রেকর্ড কীভাবে গড়া হয়?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সমাজসেবা অধিদপ্তরের ১ হাজার ৪৮৫টি পদে ২১ লাখ ২৩ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছেন। প্রতি পদে গড়ে ১ হাজার ৪৩০ জনের প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিবছর ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও নতুন চাকরি সৃষ্টির হার ধীর, যা অর্থনৈতিক চাপকে আরো তীব্র করেছে।

বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রতিবছর ২০ লাখ তরুণ প্রবেশ করলেও সরকারি চাকরিতে প্রতিযোগিতার নতুন রেকর্ড গড়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। তাদের ৫২টি ক্যাটাগরিতে প্রকাশিত ১ হাজার ৪৮৫টি পদে মোট ২১ লাখ ২৩ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছেন। প্রতি পদে গড়ে ১ হাজার ৪৩০ জনের প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়েছে, যা বিসিএস পরীক্ষার তুলনায় বহুগুণ বেশি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সমাজসেবা অধিদপ্তরের ১ হাজার ৪৮৫টি পদে ২১ লাখ ২৩ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছেন — প্রতি পদে গড়ে ১ হাজার ৪৩০ জনের প্রতিযোগিতা
  • 📌 ২ জুন থেকে ২৩ জুন ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়, যেখানে ৪৭৮টি পদ ছিল অফিস সহায়কের জন্য (এসএসসি পাসের যোগ্যতা)
  • 📌 ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সরকারি দপ্তরে শূন্য পদের সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি
  • 📌 বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৬-২০২২ সালের মধ্যে ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ কর্মক্ষম বয়সে পৌঁছালেও নতুন চাকরি তৈরি হয়েছে মাত্র ৮৭ লাখ
  • 📌 আইএমএফের বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের হার প্রায় ৩৬ শতাংশ

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ প্রবেশ করলেও সরকারি চাকরিতে প্রতিযোগিতার নতুন রেকর্ড গড়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। তাদের ৫২টি ক্যাটাগরিতে প্রকাশিত ১ হাজার ৪৮৫টি পদে মোট ২১ লাখ ২৩ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছেন। প্রতি পদে গড়ে ১ হাজার ৪৩০ জনের প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়েছে, যা বিসিএস পরীক্ষার তুলনায় বহুগুণ বেশি। উদাহরণস্বরূপ, ৫০তম বিসিএসে প্রায় ২ লাখ ৯০ হাজার, ৪৯তম বিসিএসে ৩ লাখ ১২ হাজার এবং ৪৭তম বিসিএসে ৩ লাখ ৭৪ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছিলেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সবচেয়ে বেশি ৪৭৮টি পদ ছিল অফিস সহায়কের, যার জন্য এসএসসি পাসের যোগ্যতা ছিল। এছাড়া ৩১২টি ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদসহ শিক্ষক, কম্পিউটার অপারেটর, কারিগরি প্রশিক্ষক ও ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর পদেও আবেদন করা হয়েছিল। এত বিপুলসংখ্যক আবেদন পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।

২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে শূন্য পদের সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ কর্মক্ষম বয়সে পৌঁছালেও একই সময়ে নতুন চাকরি তৈরি হয়েছে মাত্র ৮৭ লাখ। নতুন কর্মপ্রার্থীর তুলনায় চাকরি সৃষ্টির গতি বেশ ধীর ছিল। উপরন্তু, ওই সময়ে তৈরি হওয়া নতুন কাজের প্রায় ৭০ শতাংশ গেছে নিম্ন-উৎপাদনশীল কৃষি খাতে, যেখানে উল্টো উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থান কমেছে।

সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগপ্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় বিপুলসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করেছেন। পরীক্ষা আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং আশা করা হচ্ছে দুই মাসের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।

"দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগপ্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় বিপুলসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করেছেন। পরীক্ষা আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং আশা করা হচ্ছে দুই মাসের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহ মোহাম্মদ মাহবুব (সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ লাখ ২৩ হাজার (আবেদনকারী), ১ হাজার ৪৮৫ (পদ), ১ হাজার ৪৩০ (প্রতি পদে প্রতিযোগিতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖