📌 ইরানের হামলা ষড়যন্ত্রে সন্দেহে যুক্তরাষ্ট্রের এক ডজন বোমারু বিমান ব্রিটেনের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ইরানের জড়িত থাকার প্রমাণ দিয়েছেন, কিন্তু তেহরান তা অস্বীকার করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়েছেন
ইরানের হামলা ষড়যন্ত্রে সন্দেহে যুক্তরাষ্ট্রের এক ডজন বি-১ বোমারু বিমান ব্রিটেনের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্যের লন্ডনের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন ছিল মার্কিন বোমারু বিমানগুলো, যেগুলো মূলত ইরানের ওপর হামলার জন্য প্রস্তুত ছিল। পেন্টাগনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে বিমানগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের এক ডজন বি-১ বোমারু বিমান ব্রিটেনের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে ইরানের হামলা ষড়যন্ত্রে সন্দেহে।
- 📌 ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জানিয়েছেন, ওই বিমানঘাঁটিতে সন্দেহভাজন হামলার ষড়যন্ত্রের সাথে ইরানের জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।
- 📌 ইরানের রাষ্ট্রদূত তেহরানে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে এবং এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ষড়যন্ত্রকারীরা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করার পরিকল্পনা করেছিল।
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই ঘটনায় ‘বিদেশি শক্তির হাত’ থাকার দিকে ইঙ্গিত করেছেন।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলার প্রস্তুতির সন্দেহে কয়েকজন ব্যক্তি গ্রেপ্তার হওয়ার এক সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্রের এক ডজন বি-১ বোমারু বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। পেন্টাগনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে বিমানগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, “অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণে আমাদের সম্পদ ও বাহিনীর চলাচলের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করার সুযোগ ছিল না। তবে আমরা এখন স্বীকার করছি যে, আরএএফ ফেয়ারফোর্ডে মোতায়েন করা সব মার্কিন বোমারু বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।”
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গত বুধবার জানিয়েছিলেন, ওই বিমানঘাঁটিতে সন্দেহভাজন হামলার ষড়যন্ত্রের সাথে ইরানের জড়িত থাকার বিষয়ে ব্রিটেনের কাছে শক্তিশালী প্রমাণ রয়েছে। তবে ইরানের সরকার এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে এবং তেহরানে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা চালানোর জন্য ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানতে ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে থাকা বোমারু বিমানগুলো ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অনুমতি দিয়েছিল ব্রিটিশ সরকার।
"অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণে আমাদের সম্পদ ও বাহিনীর চলাচলের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করার সুযোগ ছিল না। তবে আমরা এখন স্বীকার করছি যে, আরএএফ ফেয়ারফোর্ডে মোতায়েন করা সব মার্কিন বোমারু বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি, লন্ডন (যুক্তরাজ্য)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, অ্যান্ডি বার্নহ্যাম, মার্কো রুবিও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ ডজন (বি-১ বোমারু বিমান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!