📌 যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত দ্বিতীয়বার প্রত্যাখ্যান করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ২০ হাজার ভোটপত্র বাতিলের আবেদন। আদালত বলেছে, এই আবেদন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান লঙ্ঘন করবে এবং যোগ্য ভোটারদের ভোটাধিকার নষ্ট করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের আবেদন দ্বিতীয়বার প্রত্যাখ্যান করেছে, যাতে ক্যালিফোর্নিয়ার মিডটার্ম নির্বাচনে ২০ হাজার ভোটপত্র বাতিল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল মাত্র চার দিন আগে, যখন ৩ নভেম্বর মিডটার্ম নির্বাচনের তারিখ ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ম সার্কিট আপিল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান লঙ্ঘন করবে এবং যোগ্য ভোটারদের ভোটাধিকার নষ্ট করবে।
- 📌 আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্রের এই আবেদনের ফলাফল শুধু ভোটপত্রের বিভাজন নয়, বরং ভোটপত্র বাতিল এবং ভোটারদের ভোটার তালিকায় নাম মুছে ফেলা”।
- 📌 রায়ে অংশগ্রহণকারী দু’জন বিচারক — মার্ক বেনেট (ট্রাম্পের মনোনীত) এবং গ্যাব্রিয়েল সানচেজ (ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের মনোনীত) — এই সিদ্ধান্তে সম্মত ছিলেন।
- 📌 ট্রাম্পের মনোনীত বিচারক প্যাট্রিক বুমাতায় রায়ে ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেছেন, প্রশাসনের আবেদন “বৈধ এবং যুক্তিসঙ্গত”।
- 📌 ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, ক্যালিফোর্নিয়ার মিডটার্ম নির্বাচনে প্রায় ২০ হাজার “অনুমতিপ্রাপ্ত নন-নাগরিক” ভোটপত্র পেয়েছে।
- 📌 ক্যালিফোর্নিয়া সরকার বলেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের তালিকায় উল্লেখিত নামগুলোর কোনো প্রমাণ নন-নাগরিক হওয়ার নেই।
- 📌 গভর্নর গ্যাভিন নিউসম বলেছেন, “এটি ট্রাম্পের রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে ক্যালিফোর্নিয়ার ভোটারদের ভোটাধিকার নষ্ট করার একটি হতাশাজনক এবং অবসাদজনক চেষ্টা”।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ৯ম সার্কিট আপিল আদালত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের আবেদন দ্বিতীয়বার প্রত্যাখ্যান করেছে। এই আবেদনে ক্যালিফোর্নিয়ার মিডটার্ম নির্বাচনে ২০ হাজার ভোটপত্র বাতিল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, এই আবেদন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের নির্বাচন ক্লজ লঙ্ঘন করবে এবং ভোটারদের ভোটাধিকার নষ্ট করবে।
রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্রের এই আবেদনের ফলাফল শুধু ভোটপত্রের বিভাজন নয়, বরং ভোটপত্র বাতিল এবং ভোটারদের ভোটার তালিকায় নাম মুছে ফেলা”। এই রায়ে অংশগ্রহণকারী দু’জন বিচারক — মার্ক বেনেট এবং গ্যাব্রিয়েল সানচেজ — এই সিদ্ধান্তে সম্মত ছিলেন। তারা যথাক্রমে ট্রাম্প এবং ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের মনোনীত বিচারক।
বিচারক প্যাট্রিক বুমাতায়, যিনি ট্রাম্পের মনোনীত, রায়ে ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেছেন, “প্রশাসনের এই আবেদন একটি যুক্তিসঙ্গত এবং বৈধ চেষ্টা”।
ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, ক্যালিফোর্নিয়ার মিডটার্ম নির্বাচনে প্রায় ২০ হাজার “অনুমতিপ্রাপ্ত নন-নাগরিক” ভোটপত্র পেয়েছে। তারা ১৫ অক্টোবর এই তালিকা প্রদান করে ক্যালিফোর্নিয়া সরকারকে বলেছিল, এই ২০ হাজার ভোটপত্র বাতিল করা উচিত। কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়া সরকার এই তালিকায় উল্লেখিত নামগুলোর কোনো প্রমাণ নন-নাগরিক হওয়ার নেই বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
গভর্নর গ্যাভিন নিউসম বলেছেন, “এটি ট্রাম্পের রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে ক্যালিফোর্নিয়ার ভোটারদের ভোটাধিকার নষ্ট করার একটি হতাশাজনক এবং অবসাদজনক চেষ্টা। এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটারদের মধ্যে অবিশ্বাস সৃষ্টি করতে এবং নির্বাচনের ফলাফলকে অবমাননা করার উদ্দেশ্য পূরণ করবে”।
যুক্তরাষ্ট্রে নন-নাগরিকদের ভোট দেওয়ার কোনো আইনি অধিকার নেই। সংবিধানের নির্বাচন ক্লজ অনুযায়ী, রাজ্য নির্বাচন পরিচালনার একচেটিয়া অধিকার রাখে, যদিও কংগ্রেস ভোটিং প্রক্রিয়ার নিয়মকানুন নির্ধারণ করতে পারে।
"যুক্তরাষ্ট্রের এই আবেদনের ফলাফল শুধু ভোটপত্রের বিভাজন নয়, বরং ভোটপত্র বাতিল এবং ভোটারদের ভোটার তালিকায় নাম মুছে ফেলা"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ক্যালিফোর্নিয়া, ওয়াশিংটন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্ক বেনেট, গ্যাব্রিয়েল সানচেজ, প্যাট্রিক বুমাতায়, গভর্নর গ্যাভিন নিউসম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০,০০০ (ভোটপত্র), ৩ (মিডটার্ম নির্বাচন তারিখ), ২৮ (অনুমতিপ্রাপ্ত নন-নাগরিকদের অভিযোগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!