📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের সংকট: অতিরিক্ত টাকা ছাড়া সার পাওয়ার কোনো উপায় নেই

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের সংকট: অতিরিক্ত টাকা ছাড়া সার পাওয়ার কোনো উপায় নেই

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বিসিআইসির ডিলারদের অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কৃষকরা বলছেন, সরকারি দামে সার পাওয়ার পরিবর্তে ২০০-৩০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বিসিআইসির ডিলারদের অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগে কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকরা দাবি করছেন, সরকারি দামে সার পাওয়ার পরিবর্তে প্রতি বস্তায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। এতে অনেক কৃষককে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বিসিআইসির ডিলার পয়েন্টে সার বিক্রির সময় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 কৃষকরা বলছেন, বস্তাপ্রতি ২০০-৩০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয় সার পাওয়ার জন্য
  • 📌 ডিলার পয়েন্টে সার মজুত ও বিতরণ রেজিস্টারে গরমিলের অভিযোগ
  • 📌 দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন
  • 📌 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেছেন, সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছ থেকে রেজিস্টার নেওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

গত বৃহস্পতিবার শোভাগঞ্জ বাজারের সার ডিলার পয়েন্টে (মেসার্স তমাল চন্দ্র সাহা) সার কিনতে আসা কৃষকদের অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছিল। সকাল থেকে অপেক্ষা করছিলেন কৃষকরা। কৃষকদের অভিযোগ, সার আনতে গেলে ব্লক সুপারভাইজার ও ডিলারের লোকজন নানা অজুহাত দেখান। ফলে প্রায়ই সার ছাড়াই বাড়ি ফিরতে হয় কৃষকদের। তবে অতিরিক্ত টাকা দিলে চাহিদা অনুযায়ী সার পাওয়া যায় বলে জানান কৃষকরা।

ব্যবসায়ী নয়া মিয়া (৪৫) বলেন, ‘দুপুরের দিকে সার নিতে এসেছি। আরও আট-দশজন ছিলেন। ভ্যানে ভ্যানে সার যাচ্ছে। আমরা চাইলে খালি বলে “শেষে নেন”। বিকেলের দিকে বলে “সার আর নাই”। পরে হিসাব করি দেখে কাগজ-কলমে সার আছে, কিন্তু গুদামে সার নাই।’

ডিলার পয়েন্টের ম্যানেজার বিধু রঞ্জন মোবাইল ফোনে বলেন, ‘অতিরিক্ত দামে কোনো সার বিক্রি করা হয়নি। কিছু সারের রসিদ হয়েছে, আবার কিছু সার রসিদ ছাড়াই গুদাম থেকে বের হয়েছে। বিষয়গুলো আমরা বুঝতেই পারিনি। সে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতেই স্যার (কৃষি কর্মকর্তা) ডেকেছেন। সেখানেই আছি। ওখানে চণ্ডী দা আছেন। তাঁর কাছ থেকেই জেনে নেন বলে সংযোগ কেটে দেন।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ‘বিষয়গুলো আমি শুনেছি। সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছ থেকে মজুত ও বিক্রির স্টক রেজিস্টার বই চেয়েছি। বিতরণে কোনো গরমিল আছে কি না তা তদন্ত করে দেখার জন্য। সত্যতা পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

"বিকেলের দিকে বলে 'সার আর নাই'"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুন্দরগঞ্জ উপজেলা, গাইবান্ধা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নয়া মিয়া (৪৫), তমাল চন্দ্র সাহা, বিধু রঞ্জন, মো. কাইয়ুম চৌধুরী, মো. মিজানুর রহমান মণ্ডল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০-৩০০ টাকা (অতিরিক্ত), ১০টি বস্তা সার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖