📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রাম বন্দরে মিথ্যা আমদানি ঘোষণায় ৫৮ কোটি টাকা জরিমানা আদায়, ২৯% বেড়েছে জব্দকৃত চালান

চট্টগ্রাম বন্দরে মিথ্যা আমদানি ঘোষণায় ৫৮ কোটি টাকা জরিমানা আদায়, ২৯% বেড়েছে জব্দকৃত চালান

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম বন্দরে মিথ্যা আমদানি ঘোষণায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ৪৬৭টি চালান জব্দ করা হয়েছে। এতে ৫৮ কোটি ২ লাখ টাকা জরিমানা ও রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৯.৪% বেশি। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ স্ক্র্যাপ, মডেলিং ক্লে ও যন্ত্রপাতি আমদানির মতো কৌশল চিহ্নিত করেছে

চট্টগ্রাম বন্দরে মিথ্যা আমদানি ঘোষণার ঘটনা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। চলতি অর্থবছরের (২০২৬-২৭) প্রথম তিন মাসে মিথ্যা ঘোষণায় ৪৬৭টি চালান জব্দ করা হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৯.৪ শতাংশ বেশি। এতে ২৭০টি মামলা দায়ের ও ৫৮ কোটি ২ লাখ টাকা জরিমানা ও রাজস্ব আদায় হয়েছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এই অনিয়মে জড়িত পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে যন্ত্রপাতি, বিলাসবহুল গাড়ি, মোবাইল ফোন ও প্রসাধনসামগ্রী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে মিথ্যা ঘোষণায় ৪৬৭টি চালান জব্দ, যা গত বছরের তুলনায় ২৯.৪% বেশি
  • 📌 ২৭০টি মামলা দায়ের ও ৫৮ কোটি ২ লাখ টাকা জরিমানা ও রাজস্ব আদায়
  • 📌 স্ক্র্যাপ ঘোষণা দিয়ে যন্ত্রপাতি ও বিলাসবহুল গাড়ি আমদানি করা হয়েছে
  • 📌 মডেলিং ক্লে ঘোষণায় প্রসাধনসামগ্রী আমদানি করা হয়েছে
  • 📌 চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র মোহাম্মদ শরীফ আল আমিন বলেছেন, কাস্টমস বিভাগ ডিজিটাল পদ্ধতিতে নজরদারি জোরদার করছে

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে মিথ্যা ঘোষণায় ৪৬৭টি চালান জব্দ করা হয়েছে। এতে ২৭০টি মামলা দায়ের ও ৫৮ কোটি ২ লাখ টাকা জরিমানা ও রাজস্ব আদায় হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মাত্র ৩৬১টি চালান জব্দ করা হয়েছিল, যা ১৯৯টি মামলায় পরিণত হয়েছিল। সে সময় রাজস্ব ও জরিমানা আদায়ের পরিমাণ ছিল ৩১ কোটি ৭ লাখ টাকা।

কাস্টমসের তথ্যমতে, মিথ্যা ঘোষণার পেছনে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহৃত হয়। যেমন, স্ক্র্যাপ ঘোষণা দিয়ে যন্ত্রপাতি ও বিলাসবহুল গাড়ি আমদানি করা হয়। মডেলিং ক্লে ঘোষণায় প্রসাধনসামগ্রী আমদানি করা হয়েছে। অন্যদিকে, অন্য পণ্যের আড়ালে মোবাইল ফোন ও কাপড় আমদানি করা হয়েছে। কাস্টমসের সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র মোহাম্মদ শরীফ আল আমিন বলেছেন, “চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি বেড়েছে। এ কারণে আমরা তদারকি জোরদার করছি। ডিজিটাল পদ্ধতিতে নজরদারি ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।”

চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক ও চট্টগ্রাম কাস্টম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মো. ইসমাইল খান বলেছেন, মিথ্যা ঘোষণার পেছনে কখনো কখনো সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকে। তিনি কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, অতিরিক্ত কড়াকড়ির কারণে বৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

"চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি বেড়েছে। এ কারণে মিথ্যা ঘোষণার আমদানি চালান ধরতে তদারকি জোরদার করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ শরীফ আল আমিন (কাস্টমস সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র), মো. ইসমাইল খান (চট্টগ্রাম চেম্বার পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৬৭টি চালান জব্দ, ২৭০টি মামলা, ৫৮ কোটি ২ লাখ টাকা জরিমানা ও রাজস্ব

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖