📌 সৌদি আরামকো সৌদি আরবের তেল পরিবহন পাইপলাইনে ড্রোন হামলার পর ইউরোপের অন্তত দুটি তেল শোধনাগারকে আগামী মাসে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাইপলাইন বন্ধ থাকায় ইউরোপের তেল কোম্পানিগুলি বিকল্প উৎস খুঁজছে
সৌদি আরামকো সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পাইপলাইনে ড্রোন হামলার পর ইউরোপের অন্তত দুটি তেল শোধনাগারকে আগামী মাসে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবগত কয়েকজন ব্যক্তি জানিয়েছেন যে, ইউরোপের সব ক্রেতার ক্ষেত্রেই এই সরবরাহ বন্ধ থাকবে। তবে তাদের পরিচয় প্রকাশের ইচ্ছা নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরামকো ইউরোপের অন্তত দুটি তেল শোধনাগারকে আগামী মাসে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বন্ধ রাখবে
- 📌 সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ড্রোন হামলায় বন্ধ হয়ে গেছে, পুনরায় চালু হতে পারে কয়েক দিনের মধ্যে
- 📌 পাইপলাইন বন্ধ থাকায় সৌদি আরব থেকে ইউরোপে তেল সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, ইউরোপের তেল কোম্পানিগুলি বিকল্প উৎস খুঁজছে
- 📌 পোল্যান্ডের অরলেন কোম্পানি ১০টির বেশি দরপত্র আহ্বান করেছে বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করতে
- 📌 জুন মাসে ইউরোপীয় দেশগুলো প্রতিদিন গড়ে ৫ লাখ ৭৭ হাজার ব্যারেল তেল সৌদি আরব থেকে আমদানি করত
📰 বিস্তারিত
সৌদি আরামকোর এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ইউরোপের সব ক্রেতার ক্ষেত্রেই আগামী মাসের সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে। তবে তথ্যটি প্রকাশ্যে না আসায় তারা নিজেদের নাম প্রকাশ করতে চাননি। সৌদি আরামকোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
গত সপ্তাহে সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ড্রোন হামলায় বন্ধ হয়ে গেছে। এই পাইপলাইনটি সৌদি আরবের তেল পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক ব্যক্তি জানান, পাইপলাইনের কিছু অংশ আবার চালু হতে পারে কয়েক দিনের মধ্যে। তবে পুরো পাইপলাইন স্বাভাবিকভাবে চালু করতে প্রায় ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
পাইপলাইন বন্ধ থাকায় সৌদি আরব থেকে ইউরোপে তেল সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাব সামাল দিতে ইউরোপের কিছু তেল কোম্পানি বিকল্প উৎস থেকে অপরিশোধিত তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছে। ইউরোপের তেল শোধনাগারগুলো সাধারণত মিসরের ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর সিদি কেরির মাধ্যমে সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেল সংগ্রহ করে। এই বন্দরটি একটি পাইপলাইনের মাধ্যমে লোহিত সাগরের সঙ্গে যুক্ত।
পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আরামকোর কয়েকজন গ্রাহকের মধ্যে তেল মজুত করার তৎপরতা বেড়েছে। তারা সরবরাহের ঘাটতি মোকাবিলায় দ্রুত বিকল্প উৎস খুঁজছে। পোল্যান্ডের তেল কম্পানি অরলেনও বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করতে শুক্রবার থেকে এখন পর্যন্ত ১০টির বেশি দরপত্র আহ্বান করেছে। এসব দরপত্রের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেল সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে।
"জুন মাসে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থাভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলো সৌদি আরব থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫ লাখ ৭৭ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে। ফলে সৌদি আরবের তেল সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটলেও ইউরোপের তেল বাজারে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরব (পাইপলাইন), ইউরোপ (তেল শোধনাগার), মিসর (সিদি কেরি বন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৌদি আরামকোর কর্মকর্তা (অননামিক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ ৭৭ হাজার ব্যারেল (দৈনিক তেল আমদানি), ১০টি দরপত্র (পোল্যান্ডের অরলেন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!