📌 পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কেউ তার গায়ে হাত দিলে তাকে নগ্ন করে রাস্তায় দাঁড় করাবেন। কর্মক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছেন তিনি
পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্রাঙ্গনের পরিচিত মুখ অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কেউ তার গায়ে হাত দিতে চাইলে তাকে মাঝ রাস্তায় নগ্ন করে দাঁড় করাবেন। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে সরব হন ঋতাভরী চক্রবর্তী
- 📌 কেউ তার গায়ে হাত দিলে তাকে নগ্ন করে রাস্তায় দাঁড় করাবেন বলে হুমকি
- 📌 কর্মক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন
- 📌 ২০২৪ সালে সামাজিক মাধ্যমেও বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন তিনি
- 📌 পূর্ব ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেন
📰 বিস্তারিত
পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন জগতের পরিচিত অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী কর্মক্ষেত্রে নারীদের যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সরব হয়ে আসছেন। ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি বাংলা চলচ্চিত্র জগতে নারীদের হয়রানির অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোচ্চার হন। একই সঙ্গে তিনি অন্যান্য অভিনেত্রীদেরও এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে মুখ খোলার আহ্বান জানান। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করেন তিনি।
সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ঋতাভরী জানান, তার জীবনে এমন এক পর্যায় তৈরি হয়েছে যেখানে তিনি আর কোনো ধরনের যৌন হয়রানি সহ্য করবেন না। তিনি বলেন, ‘কেউ যদি এখন আমার গায়ে হাত দেয় বা যৌন হয়রানির চেষ্টা করে, তবে তাদের মাঝ রাস্তায় নগ্ন করে দাঁড় করাব।’ পূর্ব ভারতের একজন অভিনেত্রী হিসেবে তার সামাজিক মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি ফলোয়ার রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তখন তিনি ছিলেন একেবারে নতুন এবং নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে শুরু করি, তখন বিষয়টি এমন ছিল না। আমি খুবই ছোট ছিলাম, নিজের পথ খুঁজছিলাম। এসব ঘটনা যখন ঘটেছিল, তখন আমি ভীষণ ভয় পেতাম।’
ঋতাভরী জানান, বছরের পর বছর ধরে তিনি হয়রানির সঙ্গে সম্পর্কিত আপত্তিকর বার্তাগুলো পুষে রেখেছেন। তবে সামাজিক মাধ্যমকে তিনি কারও বিরুদ্ধে বিচারের জায়গা হিসেবে ব্যবহার করতে চান না। তিনি বলেন, ‘আমি এত বছর ধরে সেই আপত্তিকর বার্তাগুলো সংরক্ষণ করেছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে কারও বিচার করার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ঋতাভরী চক্রবর্তী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!