📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহাকাশে উৎক্ষেপণ হলো নাসার সর্বাধুনিক টেলিস্কোপ ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান’

মহাকাশে উৎক্ষেপণ হলো নাসার সর্বাধুনিক টেলিস্কোপ ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা মহাকাশে পাঠিয়েছে সর্বাধুনিক ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ’। ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের এই টেলিস্কোপটি মহাবিশ্বের বিশাল এলাকার স্পষ্ট মানচিত্র তৈরি করবে এবং ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির রহস্য উন্মোচনে সহায়তা করবে

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা মহাকাশে উৎক্ষেপণ করেছে সর্বাধুনিক ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ’। স্পেসএক্সের ফ্যালকন হেভি রকেটে চড়ে ৩০ আগস্ট, রবিবার সকালে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে এই টেলিস্কোপটি মহাকাশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। উৎক্ষেপণের পর রকেটের বুস্টারগুলো নির্ধারিত স্থানে সফলভাবে অবতরণ করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 উৎক্ষেপণ স্থান: ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার, যুক্তরাষ্ট্র
  • 📌 উৎক্ষেপণ তারিখ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, রবিবার
  • 📌 টেলিস্কোপের নির্মাণ ব্যয়: ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • 📌 টেলিস্কোপের ওজন: ২০ হাজার পাউন্ড
  • 📌 মূল আয়নার ব্যাস: ৭ দশমিক ৯ ফুট
  • 📌 উৎক্ষেপণ স্থান থেকে দূরত্ব: প্রায় ১০ লাখ মাইল
  • 📌 তথ্য প্রেরণের পরিমাণ: প্রতিদিন প্রায় এক টেরাবাইট
  • 📌 মহাকাশে অবস্থান স্থান: এল২ (L2) নামক কক্ষপথ

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা মহাকাশে উৎক্ষেপণ করেছে সর্বাধুনিক ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ’। স্পেসএক্সের ফ্যালকন হেভি রকেটে চড়ে ৩০ আগস্ট, রবিবার সকালে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে থেকে এই টেলিস্কোপটি মহাকাশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। উৎক্ষেপণের পর রকেটের বুস্টারগুলো নির্ধারিত স্থানে সফলভাবে অবতরণ করে।

মেরিল্যান্ডে অবস্থিত নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের সুবিশাল পরিচ্ছন্ন কক্ষে শত শত প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদের বহু বছরের প্রচেষ্টায় এই টেলিস্কোপটি নির্মাণ ও পরীক্ষা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গোপনীয় সামরিক সংস্থা ‘ন্যাশনাল রিকনসাইসান্স অফিস’-এর সাবেক গুপ্তচর স্যাটেলাইটের আয়না থেকে এই টেলিস্কোপের মূল আয়নাটি পুনর্ব্যবহার করা হয়েছে। দীর্ঘদিন নিউইয়র্কের একটি গোপন গুদামে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা এই আয়নাটিকে মহাবিশ্বের প্রাচীনতম রহস্য উন্মোচনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

ন্যান্সি গ্রেস রোমান টেলিস্কোপটি মহাবিশ্বের শত শত কোটি গ্যালাক্সি, ব্ল্যাকহোল এবং নক্ষত্রের চারপাশের ধূলিকণার মানচিত্র তৈরি করবে। এর ৩০০ মেগাপিক্সেলের ইনফ্রারেড ক্যামেরা এতটাই শক্তিশালী যে তা পুরোপুরি দেখতে পাঁচ লাখেরও বেশি উচ্চমানের টিভির প্রয়োজন হবে। এটি মহাবিশ্বের অদৃশ্য পদার্থ ‘ডার্ক ম্যাটার’ এবং মহাবিশ্বকে প্রসারিত করতে থাকা রহস্যময় শক্তি ‘ডার্ক এনার্জি’ গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

"এই টেলিস্কোপের মাধ্যমে আমরা প্রথমবারের মতো ভিন্ন উপায়ে পুরো মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাব। এটি মহাবিশ্ব কীভাবে কাজ করে, এটি কী দিয়ে তৈরি এবং মহাকাশে অন্য কোনো প্রাণ আছে কি না তা জানতে সাহায্য করবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফ্লোরিডা, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 প্রকৌশলী: শত শত
  • 🔢 ব্যয়: ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • 🔢 ওজন: ২০ হাজার পাউন্ড
  • 🔢 আয়নার ব্যাস: ৭ দশমিক ৯ ফুট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖