📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্যাস সংকটে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা পুনরায় চালু ও নাম পরিবর্তনের দাবিতে শ্রমিকদের অবরোধ

গ্যাস সংকটে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা পুনরায় চালু ও নাম পরিবর্তনের দাবিতে শ্রমিকদের অবরোধ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গ্যাস সংকটে দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানা পুনরায় চালু এবং পূর্বনাম 'জিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড' ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকরা মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরোধ প্রত্যাহার হলেও দাবি আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানায় দ্রুত গ্যাস সংযোগ প্রদান ও কারখানার নাম 'জিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড' পুনর্বহালের দাবিতে শ্রমিক-কর্মচারীরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। সোমবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত আশুগঞ্জ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। পরে শ্রমিকরা আশুগঞ্জ গোলচত্বরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং মহাসড়ক অন্তত ২০ থেকে ২৫ মিনিট অবরোধ করে রাখেন। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গ্যাস সংকটে দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা আশুগঞ্জ সার কারখানা পুনরায় চালু ও নাম পরিবর্তনের দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ
  • 📌 কারখানাটি দৈনিক গড়ে ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করত
  • 📌 গত বছরের ১ মার্চ থেকে কারখানাটিতে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে
  • 📌 কারখানার ১ হাজার ২০০ স্থায়ী ও অস্থায়ী শ্রমিকসহ প্রায় ২ হাজার কর্মচারী আন্দোলনে অংশ নেন
  • 📌 শ্রমিকরা অবিলম্বে গ্যাস সংযোগ প্রদান ও কারখানার নাম 'জিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড' পুনর্বহালের দাবি জানান

📰 বিস্তারিত

আশুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত আশুগঞ্জ সার কারখানা গ্যাস সংকটের কারণে দেড় বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮১ সালে এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ১৯৮৩ সালে। ওই বছরই কারখানাটির নাম 'জিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড' করা হয়। তবে ২০১০ সালে তৎকালীন সরকার কারখানাটির নাম পরিবর্তন করে 'আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড' রাখে। শ্রমিকরা জানান, কারখানাটি দৈনিক গড়ে ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করত। কিন্তু গ্যাস সংকটের কারণে প্রায়ই উৎপাদন বন্ধ থাকত। গত বছরের ১ মার্চ থেকে পুরোপুরি উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

মানববন্ধনে অংশ নেন কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু কাউসার, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদী মো. তানভীর রহমান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নোয়াব আলী মুন্সী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. শাহজাহান ভূঁইয়া, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নারী শক্তির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক জয়ন্তী বিশ্বাস, উপজেলা ট্রাকমালিক সমিতির সভাপতি মো. মাহালম ও সাধারণ সম্পাদক চপল খাঁ প্রমুখ।

শ্রমিকরা অবিলম্বে গ্যাস সংযোগ প্রদান, কারখানার পূর্বনাম পুনর্বহাল এবং 'জিয়া সারকারখানা-২' নামে নতুন একটি কারখানা স্থাপনের দাবি জানান। দাবি আদায় না হলে রেলপথ ও সড়কপথ অবরোধের ঘোষণা দেন তারা।

"গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাটি দেড় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের জীবিকা নির্বাহের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। তাই আমরা দ্রুত গ্যাস সংযোগ ও নাম পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আশুগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, মো. আনোয়ার হোসেন, আবু কাউসার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন, ১ মার্চ, ২ হাজার শ্রমিক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖