📌 যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির মুখে ইরান ইস্যুতে এসসিওর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চীন ও রাশিয়ার নেতারা ইরানকে সমর্থনের প্রতীকী বার্তা দিলেও সামরিক বা অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদানে অনীহা প্রকাশ করেছেন। এসসিও সম্মেলনে ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা অংশ নিয়েছেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির ফলে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও)-র কার্যকারিতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। চীন ও রাশিয়ার নেতারা বছরের পর বছর ধরে যে জোটকে শক্তিশালী করেছেন, ইরান সংকট সেই জোটের সক্ষমতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরান ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন
- 📌 এসসিও সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এসসিও সদস্য দেশগুলো বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় এক-চতুর্থাংশের প্রতিনিধিত্ব করে
- 📌 বিশ্লেষকদের মতে, সম্মেলনে ইরানের প্রতি প্রতীকী সংহতি প্রকাশ ছাড়া উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপের সম্ভাবনা কম
📰 বিস্তারিত
কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত এসসিও সম্মেলনে ইরান সংকট নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের মুখে ইরানকে সমর্থন জানাতে এসসিওর সদস্য দেশগুলো কতটা কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। চীন ও রাশিয়ার নেতারা বছরের পর বছর ধরে যে জোটকে শক্তিশালী করেছেন, সেই এসসিও এখন ইরান ইস্যুতে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণে ব্যর্থ হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম এমন বৈঠক হতে যাচ্ছে। এছাড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর নেতা এবং পাকিস্তান ও বেলারুশের নেতারাও সম্মেলনে অংশ নেবেন।
বেইজিংয়ের সেন্টার ফর চায়না অ্যান্ড গ্লোবালাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ওয়াং হুইয়াও বলেন, প্রতিবছরই একটি নতুন নিরাপত্তা জোটের উত্থানের বার্তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক একমেরু বিশ্বব্যবস্থা এখন আর আগের অবস্থায় নেই। তবে ইরানকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে এসসিও কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, সম্মেলনে ইরানের প্রতি মূলত প্রতীকী সংহতি প্রকাশ করা হবে। চীন বা রাশিয়া কেউই ইরানকে সামরিকভাবে সহায়তা করার প্রস্তুতি দেখায়নি। অর্থনৈতিক সহায়তাও সীমিত। ফলে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা এসসিও-র জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
"যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক একমেরু বিশ্বব্যবস্থা এখন আর আগের অবস্থায় নেই। তবে ইরানকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে এসসিও কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিরগিজস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, সি চিনপিং, ভ্লাদিমির পুতিন, মাসউদ পেজেশকিয়ান, নরেন্দ্র মোদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ শতাংশ, ৭ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!