📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড, ২১ বছর পলাতক থাকার পর রায়

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড, ২১ বছর পলাতক থাকার পর রায়

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভোলায় স্ত্রী হত্যার ঘটনায় স্বামী মো. বশিরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক মো. এনায়েত উল্লাহ ফাঁসির আদেশ দেন। আসামি দীর্ঘ ২১ বছর পলাতক ছিলেন

ভোলায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী মো. বশিরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ভোলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক মো. এনায়েত উল্লাহ সোমবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. হাবিবুর রহমান বাচ্চু রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্ত্রী বিলকিস হত্যার দায়ে স্বামী মো. বশিরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত
  • 📌 হত্যার পর মরদেহে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফাঁসির আদেশ
  • 📌 আসামি মো. বশির দীর্ঘ ২১ বছর পলাতক ছিলেন
  • 📌 ঘটনাটি ঘটেছিল ২০০৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ভোলার মুসাকান্দি গ্রামে
  • 📌 আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়

📰 বিস্তারিত

ভোলার মুসাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মো. বশির তার স্ত্রী বিলকিসকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন। বিচারক মো. এনায়েত উল্লাহ আদালতে রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি মো. হাবিবুর রহমান বাচ্চু জানান, হত্যার ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে আসামি মরদেহে আগুন দেন। এতে বিলকিসের মুখ, গলা, ঘাড়, বক্ষ ও পাঁজরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়।

ঘটনাটি ঘটেছিল ২০০৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে। আসামি তার স্ত্রীকে হত্যার পর দুই সন্তান খাদিজা খাতুন ও মো. ইমারনকে বাড়িতে রেখে পালিয়ে যান। দীর্ঘ ২১ বছর পলাতক থাকার পর ২০২৫ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এপিপি মো. হাবিবুর রহমান বাচ্চু বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সন্দেহাতীতভাবে মামলা প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আসামিকে ফাঁসির আদেশ দেন। তিনি আরও জানান, রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট এবং অনতিবিলম্বে ফাঁসির আদেশ কার্যকরের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

"এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১০ জন সাক্ষী সাক্ষ দেন। রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে এ মামলা প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় বিজ্ঞ আদালতের বিচারক মো. এনায়েত উল্লাহ আসামিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভোলা সদর উপজেলার মুসাকান্দি গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. বশির, বিলকিস, বিচারক মো. এনায়েত উল্লাহ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ বছর, ১০ জন সাক্ষী, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖