📌 ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের যুগ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন এফ-৩৫, এফ-১৫ ও অন্যান্য বিমানের ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রকাশ করেছেন। জর্ডানে ইরানের হামলায় মার্কিন বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের যুগ শুরু হয়েছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। শুক্রবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মার্কিন বিমান ক্ষয়ক্ষতির একটি বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করে এই দাবি করেছেন। গালিবাফের মতে, মার্কিন এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান এখন শিকার ও ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘এমন এক যুগ শুরু হয়েছে, যখন আপনাদের যুদ্ধবিমানগুলো প্রতিদিনের লক্ষ্যবস্তু হয়ে পড়েছে। এখন আপনাদের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব দিতে হবে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের যুগ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছেন
- 📌 গালিবাফের প্রকাশিত তালিকায় মার্কিন এফ-৩৫, এফ-১৫, এ-১০ থান্ডারবোল্ট, নজরদারি হেলিকপ্টার ও ড্রোনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে
- 📌 ১০ সেপ্টেম্বর জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলায় মার্কিন ১৫টি এফ-১৫ ও একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে
- 📌 জর্ডানে মার্কিন বাহিনী ৩০টির বেশি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়লেও হামলা প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়েছিল
- 📌 ইরানের আইআরজিসি দাবি করেছে, মার্কিন তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার জবাবে ওই অভিযান চালানো হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদ বাগের গালিবাফের মন্তব্য প্রকাশের পর মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের বিষয়টি আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তিনি এক্সে প্রকাশিত তালিকায় উল্লেখ করেছেন, ইরানের হামলায় মার্কিন এফ-৩৫, এফ-১৫, এফ-১৬, জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান এবং নজরদারি হেলিকপ্টার ও ড্রোনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গালিবাফের মতে, যা আগে ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন ছিল, সেটি এখন প্রতিদিনের বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সিবিএসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১০ সেপ্টেম্বর জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ইরানের ‘ইয়া হায়দার কাররার’ অভিযানে মার্কিন ১৫টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। একই হামলায় একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট যুদ্ধবিমান একটি ডানা হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ইরানের দাবি, হামলায় মার্কিন বিমান রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রস্তুতির হ্যাঙ্গার এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, মার্কিন তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার জবাবে ওই অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে মার্কিন যুদ্ধবিমানের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে ইরানের দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। মার্কিন পক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও প্রকাশিত হয়নি।
"এমন এক যুগ শুরু হয়েছে, যখন আপনাদের এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান শিকার করা হচ্ছে। এখন আপনাদের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব দিতে হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জর্ডান (আল-আজরাক বিমানঘাঁটি), মার্কিন বিমানঘাঁটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ (ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, ১টি এ-১০ থান্ডারবোল্ট, ৩০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র, ১০ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!