📌 বাহরাইন ঘোষণা করেছে, ইরানের প্রস্তাবিত হরমুজ নৌপ্রবেশ বিষয়ক আলোচনায় তারা অংশ নেবেনা। ইরান ও অঞ্চলভিত্তিক দেশগুলোর মধ্যে ওমানে অনুষ্ঠিত হওয়া বৈঠককে তারা ‘অপেক্ষাকৃত’ নীতির প্রতীক হিসেবে দেখছে। বাহরাইন দাবি করেছে, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য শান্তি-নীতির পরিবর্তে নিরাপত্তা ও বৈষম্য-মুক্ত নৌপ্রবেশের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার
বাহরাইন সরকার ঘোষণা করেছে, তারা ইরানের প্রস্তাবিত হরমুজ নৌপ্রবেশ বিষয়ক আলোচনায় অংশ নেবেনা। ওমানের মুসকাতে অনুষ্ঠিত হওয়া বৈঠকে ইরান ও অঞ্চলভিত্তিক অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে নৌপ্রবেশের নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করার কথা থাকলেও বাহরাইন এই বৈঠকে অংশ নেবেনা বলে জানিয়েছে। বাহরাইনের বৈদেশিক মন্ত্রণালয় সাবতাহের ঘোষণায় বলেছে, ‘প্রচারিত তথ্যের আলোকে বাহরাইন রাজ্য এই বৈঠকে অংশ নেবে না’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **বাহরাইন প্রত্যাখ্যান**: ইরানের প্রস্তাবিত হরমুজ নৌপ্রবেশ বিষয়ক বৈঠকে বাহরাইন অংশ নেবেনা।
- 📌 **বৈষম্য-মুক্ত নৌপ্রবেশের দাবি**: বাহরাইন বলেছে, নৌপ্রবেশের নিরাপত্তা অর্জনের জন্য ‘অপেক্ষাকৃত নীতির’ পরিবর্তে বৈষম্য-মুক্ত ও অনুমতি-মুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
- 📌 **ইরানের অবস্থান**: ইরানের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাগহাই বলেছেন, বৈঠকটি অঞ্চলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ইরানের ভালো ইচ্ছার প্রতীক।
- 📌 **বৈঠকের উদ্দেশ্য**: ওমানের সাথে ইরানের আলোচনা ভিত্তিতে নৌপ্রবেশের নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করা হবে, কিন্তু সার্বিক সমাধান বা চুক্তি স্বাক্ষর করার আশা নেই।
- 📌 **বাহরাইন-ইরান সম্পর্ক**: বাহরাইন ২০১৬ সাল থেকে ইরানের সাথে ডিপ্লোমেটিক সম্পর্ক ভেঙ্গে রেখেছে, যেখানে সৌদি আরব ২০২৩ সালে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করেছে।
📰 বিস্তারিত
হরমুজ নৌপ্রবেশের নিরাপত্তা বিষয়ে ইরানের প্রস্তাবিত বৈঠকে বাহরাইন অংশ নেবেনা বলে ঘোষণা দিয়েছে। ইরান ও অঞ্চলভিত্তিক দেশগুলোর মধ্যে ওমানের মুসকাতে অনুষ্ঠিত হওয়া বৈঠকে নৌপ্রবেশের নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করার কথা থাকলেও বাহরাইন এই বৈঠকে অংশ নেবেনা বলে জানিয়েছে। বাহরাইনের বৈদেশিক মন্ত্রণালয় সাবতাহের ঘোষণায় বলেছে, ‘প্রচারিত তথ্যের আলোকে বাহরাইন রাজ্য এই বৈঠকে অংশ নেবে না’।
বাহরাইনের দাবি, অঞ্চলীয় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য শান্তি-নীতির পরিবর্তে নিরাপত্তা ও বৈষম্য-মুক্ত নৌপ্রবেশের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তারা বলেছে, নৌপ্রবেশের নিরাপত্তা অর্জনের জন্য ‘অপেক্ষাকৃত নীতির’ পরিবর্তে বৈষম্য-মুক্ত ও অনুমতি-মুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
ইরানের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাগহাই আল জাজীরার সাথে কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, ‘এই বৈঠকটি অঞ্চলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ইরানের ভালো ইচ্ছার প্রতীক। আমরা সবসময় বলেছি, অঞ্চলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অঞ্চলীয় দেশগুলোরই ভূমিকা থাকতে হবে, বিদেশী বা বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়া’। তিনি আরও বলেছেন, ‘এই বৈঠকে আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের সাথে আলোচনা করব, এমনকি তাদের ভূমি, সামরিক ঘাঁটি বা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে ইরানের উপর আক্রমণ করার পরেও’।
বাগহাই আরও জানিয়েছেন, বৈঠকে ইরান ও ওমানের আলোচনার ফলাফল সম্পর্কে প্রতিনিধিদেরকে অবহিত করা হবে। তবে রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে কোনো চুক্তি স্বাক্ষর করার আশা নেই। ইরানের সেমি-অফিশিয়াল টাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইরান ও ওমানের মধ্যে কোনো চুক্তি নৌপ্রবেশের সার্বিক পুনরায় খোলার জন্য নেই, বরং এটি ভবিষ্যতে পুনরায় খোলার ভিত্তি স্থাপনের উদ্দেশ্যে।
"আমরা সবসময় বলেছি, অঞ্চলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অঞ্চলীয় দেশগুলোরই ভূমিকা থাকতে হবে, বিদেশী বা বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়া"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওমান (মুসকাত), বাহরাইন, ইরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এসমাইল বাগহাই (ইরানের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র), বাহরাইনের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি (বৈঠকের প্রস্তাবিত বিষয়), ২০১৬ (বাহরাইন-ইরান সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়া), ২০২৩ (সৌদি আরব-ইরান সম্পর্ক পুনরুদ্ধার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!