📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৭ অক্টোবরের হামাস হামলার আগে আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলকে সতর্ক করেছিল, কিন্তু নেতানিয়াহু নিলামেন কোনো পদক্ষেপ

৭ অক্টোবরের হামাস হামলার আগে আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলকে সতর্ক করেছিল, কিন্তু নেতানিয়াহু নিলামেন কোনো পদক্ষেপ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাস হামলার প্রায় দশ দিন আগে আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু নেতানিয়াহু সতর্কবার্তা পেলেও কোনো পদক্ষেপ নেননি। হারেৎজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তথ্য জানিয়েছিল ইয়াহিয়া সিনওয়ারের কাছ থেকে আরব আমিরাতের কর্মকর্তারা।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের ইসরায়েলে আক্রমণের প্রায় দশ দিন আগে আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ব্যক্তিগতভাবে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু নেতানিয়াহু এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইসরায়েলের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের জানাননি এবং কোনো পদক্ষেপ নেননি। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তথ্য প্রকাশ করেছে নতুন প্রকাশিত বই ‘কিডন্যাপড: ৮৪৩ ডেইজ অব অ্যাবানডনমেন্ট’। বইটির লেখক সাংবাদিক শ্লোমি এলদার ও রুথ ইউভাল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের শেষে মোহাম্মদ বিন জায়েদ নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন যে, হামাসের নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছেন।
  • 📌 ৪৫ মিনিটের ফোনকলাপে বিন জায়েদ নেতানিয়াহুকে বলেছিলেন, হামাসের পদক্ষেপে ব্যাপক রক্তপাত ও অঞ্চলব্যাপী অস্থিতিশীলতা হতে পারে, যা আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
  • 📌 নেতানিয়াহু সতর্কবার্তা নিলেও শান্তভাবে প্রতিক্রিয়া জানান এবং বলেছিলেন, গাজায় চলমান বিষয়গুলো জেরুজালেমের নজরে রয়েছে। তিনি মনে করতেন, হামাসের সম্ভাব্য পদক্ষেপ পশ্চিম তীরে সীমাবদ্ধ থাকবে।
  • 📌 ইয়াহিয়া সিনওয়ারের নিজস্ব তথ্য থেকে জানা গিয়েছিল যে, বন্দি মুক্তির আলোচনা ব্যর্থ হলে তিনি ‘ভয়ংকর বড় অভিযান’ প্রস্তুত করছেন। সিনওয়ার ফাতাহের এক কর্মকর্তাকে বলেছিলেন, ‘ইসরায়েলিদের বলুন, তারা যদি এগিয়ে না আসে, তাহলে আমি তাদের জন্য একটি বিশাল চমক প্রস্তুত করছি’।
  • 📌 ফাতাহের কর্মকর্তা সতর্কবার্তা জানানোর সময় ‘উদ্বিগ্ন ও উত্তেজিত’ ছিলেন, কিন্তু ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতকে সরাসরি জানাতে ভয় পেয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি বিন জায়েদের উপদেষ্টাকে জানান।
  • 📌 সতর্কবার্তা পেলেও ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বিষয়টিকে গাজা থেকে হামাসের বড় ধরনের হামলার হুমকি হিসেবে বুঝতে পারেননি। ফলে কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

📰 বিস্তারিত

হারেৎজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে মোহাম্মদ বিন জায়েদ ও নেতানিয়াহুর মধ্যে ৪৫ মিনিটের ফোনকলাপ হয়েছিল। ওই ফোনকলাপের বিষয়বস্তু পরে তিন জ্যেষ্ঠ বিদেশি কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছিল। হারেৎজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিন জায়েদ নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন যে, হামাসের নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছেন। সিনওয়ারের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ওই পদক্ষেপে ব্যাপক রক্তপাত হতে পারে এবং পুরো অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। এছাড়াও, আব্রাহাম অ্যাকর্ডসও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নেতানিয়াহুর প্রতিক্রিয়া ছিল বেশ শান্ত। তিনি বলেছিলেন, গাজায় চলমান বিষয়গুলো জেরুজালেমের নজরে রয়েছে। তিনি মনে করতেন, হামাসের কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সেটি সম্ভবত পশ্চিম তীরে হবে। তিনি আরও বলেছিলেন, যেকোনো পরিস্থিতির জন্য ইসরায়েল প্রস্তুত রয়েছে।

হামাসের হুমকি সম্পর্কে বিন জায়েদের জানা তথ্য এসেছিল স্বয়ং ইয়াহিয়া সিনওয়ারের কাছ থেকে। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে ইসরায়েলের সঙ্গে বন্দি মুক্তির আলোচনা এগিয়ে না যাওয়ায় সিনওয়ার হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তখন হামাসের হাতে কয়েকজন ইসরায়েলি নাগরিক ছিল, যারা নিজেরাই গাজায় ঢুকে পড়েছিলেন। এছাড়া হামাসের কাছে দুই ইসরায়েলি সেনার মরদেহও ছিল। সিনওয়ার বারবার ফাতাহর এক জ্যেষ্ঠ মধ্যস্থতাকারীকে সতর্ক করেছিলেন যে, বন্দি মুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি না হলে এর ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে।

ফাতাহর ওই কর্মকর্তা মোহাম্মদ বিন জায়েদের এক উপদেষ্টার সাথে ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তিনি তাঁর বন্ধুকে বিষয়টি জানান। হারেৎজকে বিন জায়েদের ওই উপদেষ্টা বলেন, ফাতাহ কর্মকর্তা তখন ‘উদ্বিগ্ন ও উত্তেজিত’ ছিলেন। তিনি বলেন, ওই কর্মকর্তার কাছে পরিষ্কার ছিল যে—সিনওয়ার যে অভিযানের কথা বলছিলেন, তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে প্রভাবিত করতে পারে। কিন্তু তিনি সরাসরি ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতকে বিষয়টি জানাতে ভয় পাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি মোহাম্মদ বিন জায়েদকে বার্তাটি জানানোর সিদ্ধান্ত নেন।

"ইসরায়েলিদের বলুন, তারা যদি এগিয়ে না আসে, তাহলে আমি তাদের জন্য একটি বিশাল চমক প্রস্তুত করছি। তাদের ভূমিকম্পের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলুন।"

বিন জায়েদের উপদেষ্টা ও ফাতাহ কর্মকর্তা সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সরাসরি ইসরায়েলের শিন বেতের কাছে সতর্কবার্তাটি পৌঁছে দেন। এরপরের কয়েক দিনে ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ওই সতর্কবার্তা নিয়ে আলোচনা করেন। কিন্তু তারা বিষয়টিকে গাজা থেকে হামাসের বড় ধরনের হামলার হুমকি হিসেবে বুঝতে পারেননি। ফলে কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসরায়েল, আরব আমিরাত, গাজা, পশ্চিম তীর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, মোহাম্মদ বিন জায়েদ, ইয়াহিয়া সিনওয়ার, শ্লোমি এলদার, রুথ ইউভাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর, ১০ দিন, ৪৫ মিনিট, ৮৪৩ দিন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖