📌 দুদক কর্মকর্তারা ইকুরিয়া বিআরটিএতে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের অভিযোগে আনসার সদস্যকে ধরে ফেলেন। অভিযানে শনাক্ত হয় যে, দালালদের মাধ্যমে ঘুষের বিনিময়ে সেবা প্রদানের অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএর বিভিন্ন সেবায়
দুদক কর্মকর্তারা ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের অভিযোগে একজন আনসার সদস্যকে শনাক্ত করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এনফোর্সমেন্ট টিম কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করে। কর্মকর্তারা প্রায় এক ঘণ্টা কার্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইকুরিয়া বিআরটিএতে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের অভিযোগে আনসার সদস্যকে ধরে ফেলে দুদক
- 📌 বিকাশের মাধ্যমে লেনদেনের কথা বলার পর আনসার সদস্যকে বিআরটিএ’র উপপরিচালকের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়
- 📌 মুঠোফোন ও বিকাশ লেনদেন যাচাইয়ে প্রতারণার চেষ্টা পাওয়া যায়, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে
- 📌 ইকুরিয়া বিআরটিএতে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, রুট পারমিট ও ফিটনেস সনদ প্রদানে দালালদের দৌরাত্ম্য ও ঘুষের অভিযোগ পাওয়া যায়
- 📌 সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি, পরীক্ষায় অনিয়ম ও অর্থের বিনিময়ে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগের তদন্ত চলছে
📰 বিস্তারিত
দুদকের সহকারী পরিচালক তাপস ভট্টাচার্য জানান, ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে বিভিন্ন সেবায় দালালদের দৌরাত্ম্য এবং ঘুষের বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে কর্মকর্তারা ছদ্মবেশে কার্যালয়ে অবস্থান করেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ করার পর একজন আনসার সদস্যকে শনাক্ত করা হয়, যিনি ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের প্রস্তাব দেন। ওই সদস্য বিকাশের মাধ্যমে লেনদেনের কথাও জানান। পরে তাকে বিআরটিএ’র উপপরিচালকের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদে সন্তোষজনক জবাব দেওয়া যায়নি।
মুঠোফোন ও বিকাশ লেনদেন যাচাইয়ে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। দুদক সূত্র জানায়, ইকুরিয়া কার্যালয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ ড্রাইভিং লাইসেন্স-সংক্রান্ত সেবা নিয়ে। লাইসেন্সের আবেদন থেকে পরীক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী যোগ্যতা পূরণ করেও অনেকেই সহজে সেবা পাচ্ছেন না। এছাড়া পরীক্ষা গ্রহণে অনিয়ম এবং অর্থের বিনিময়ে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, রুট পারমিট ও ফিটনেস সনদ প্রদানের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর বিভিন্ন অজুহাতে কাজ বিলম্বিত করা, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া এবং দ্রুত কাজ করার বিনিময়ে অর্থ দাবি করার অভিযোগ রয়েছে। দালালচক্রের সম্পৃক্ততা নিয়ে তদন্ত চলছে। দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ বলেন, ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, রুট পারমিট ও ফিটনেস সনদ প্রদানে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগে অভিযান চালানো হয়েছে। সংগ্রহ করা তথ্য যাচাই-বাছাই করে কমিশনে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।’
"ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, রুট পারমিট ও ফিটনেস সনদ প্রদানে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি ও ঘুষ দাবিসহ ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা গ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে কমিশনে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইকুরিয়া, কেরানীগঞ্জ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনসার সদস্য, দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান, তাপস ভট্টাচার্য, তানজির আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!