📌 মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নতুন ৭টি নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সরকারি ভ্রমণের ব্যয় নিয়ন্ত্রণে। অগ্রিম অর্থের সমন্বয়, প্রমাণক জমা দিতে হবে এবং তিন সেট নথি দাখিলের শর্তসহ কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। আগের অগ্রিম বিল সমন্বয় না করলে পরবর্তী ভ্রমণের অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করা হয়েছে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সরকারি ভ্রমণের ব্যয় ব্যবস্থাপনা ও অর্থ বরাদ্দে নতুন কঠোর নিয়ম জারি করেছে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য সরকারি অর্থের স্বচ্ছতা ও আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা। গত ৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসেবা শাখা থেকে জারি করা পরিপত্রে ৭টি নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে অগ্রিম অর্থের সমন্বয়, প্রমাণক জমা দিতে হবে এবং তিন সেট নথি দাখিলের শর্তসহ কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সরকারি ভ্রমণের ব্যয়ের জন্য নতুন ৭টি কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
- 📌 ভ্রমণ শেষে বিলের সঙ্গে বাধ্যতামূলক প্রমাণক সংযুক্ত করতে হবে, যেমন: বৈদেশিক সফরের জন্য সরকারপ্রধান কর্তৃক অনুমোদিত সারসংক্ষেপের অনুলিপি এবং অভ্যন্তরীণ সফরের জন্য অফিস আদেশের কপি
- 📌 পরিবহন ও আবাসন খরচের প্রমাণ হিসেবে বিমান টিকিট, বোর্ডিং পাস, ভ্রমণ বিবরণী, ভাড়ার টিকিট এবং হোটেল বিলের কপি জমা দিতে হবে
- 📌 বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ও অন্যান্য খরচের ভাউচার জমা দিতে হবে
- 📌 অগ্রিম অর্থের সমন্বয় বিল এক মাসের মধ্যে দাখিল করতে হবে, অন্যথায় পরবর্তী ভ্রমণের অর্থ বরাদ্দ বন্ধ
- 📌 প্রতিটি ভ্রমণের বিলের মূল কপিসহ তিন সেট নথি দাখিল করতে হবে, সব ফটোকপি সত্যায়িত হতে হবে
- 📌 সরকারপ্রধান কর্তৃক অনুমোদিত মেয়াদ অতিরিক্ত সময়ে বিদেশে অবস্থান করলে অতিরিক্ত ব্যয়ের দায়িত্ব সরকার বহন করবে না
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শারমিন ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি অর্থে ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সরকারি কাজে দেশ বা বিদেশে ভ্রমণ শেষে প্রকৃত ব্যয় পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগে বিল দাখিল করতে হবে। বিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বৈদেশিক সফরের জন্য সরকারপ্রধান কর্তৃক অনুমোদিত সারসংক্ষেপের অনুলিপি এবং অভ্যন্তরীণ সফরের জন্য অফিস আদেশের কপি জমা দিতে হবে।
পরিবহন ও আবাসন খরচের প্রমাণ হিসেবে বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে মূল টিকিটের পাশাপাশি বোর্ডিং পাস, অনুমোদিত ভ্রমণ বিবরণী ও ভ্রমণসূচি জমা দিতে হবে। অন্যান্য যানবাহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রকৃত ভাড়ার টিকিট এবং বিদেশে বা দেশে আবাসিক হোটেলে অবস্থানের ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূল বিলের কপি দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার বিবরণী হিসেবে বিদেশে সফরের ক্ষেত্রে স্থানীয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক বিবরণী এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভাউচার জমা দিতে বলা হয়েছে।
অগ্রিম অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের সর্বশেষ নির্দেশিকা কঠোরভাবে অনুশীলনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সরকারি সফর শেষে দেশে বা কর্মস্থলে ফেরার এক মাসের মধ্যে অগ্রিম নেওয়া অর্থের সমন্বয় বিল দাখিল করতে হবে। আগের কোনো সফরের অগ্রিম অর্থ নিয়ম অনুযায়ী সমন্বয় না করা পর্যন্ত পরবর্তী ভ্রমণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে না। এছাড়া, সরকারপ্রধান কর্তৃক অনুমোদিত মেয়াদের অতিরিক্ত সময়ে বিদেশে অবস্থান করলে অতিরিক্ত ব্যয়ের দায়িত্ব সরকার বহন করবে না।
"গত ৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসেবা শাখা থেকে জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি অর্থে ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শারমিন ইয়াসমিন (মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭টি নির্দেশনা, ৩ সেট নথি, ৩ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!