📌 জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে বিশেষ অবদানের জন্য জার্মান সরকারের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেয়েছেন বাংলাদেশ-জার্মানি দ্বৈত নাগরিক শাকিল সৈয়দ। তিনি ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সমাজসেবামূলক কাজে সক্রিয়
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে বিশেষ অবদানের জন্য জার্মান সরকারের সর্বোচ্চ সম্মাননা (এনগেজমেন্ট প্রাইস) পেয়েছেন বাংলাদেশের সমাজসেবী শাকিল সৈয়দ। তিনি বাংলাদেশ ও জার্মানির দ্বৈত নাগরিক। গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) জার্মানির ফেডারেল অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (বিএমজেড) এই সম্মাননা প্রদান করে। শাকিল সৈয়দসহ মোট সাত ব্যক্তি এবার এই সম্মাননা লাভ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতিসংঘের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে বিশেষ অবদানের জন্য জার্মান সরকারের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেয়েছেন শাকিল সৈয়দ
- 📌 ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সমাজসেবামূলক কাজে সক্রিয়
- 📌 বন শহরে বিএমজেডের দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘ওপেন ডে’-এ উন্নয়নমন্ত্রী রিম আলাবালি রাদোভান সম্মাননা তুলে দেন
- 📌 মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন জার্মানির বন শহরের ইয়েন্স মার্টেন্স
- 📌 সম্মাননা পাওয়ার কারণ: বাংলাদেশের উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ বোঝার ক্ষেত্রে জার্মানি-বাংলাদেশের সেতুবন্ধন গড়ে তোলা
📰 বিস্তারিত
জার্মানির বন শহরে বিএমজেডের দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘ওপেন ডে’ অনুষ্ঠানে শাকিল সৈয়দকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। উন্নয়নমন্ত্রী রিম আলাবালি রাদোভান বলেছেন, শাকিল সৈয়দসহ সম্মাননা পাওয়ার সাতজন ব্যক্তি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বর্তমান সময়ে জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ বৃদ্ধির সময়ে তাদের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শাকিল সৈয়দ জার্মানির নুরেমবার্গে বসবাস করেন। তিনি ‘আশা-বাংলাদেশের জন্য প্রত্যাশা’ নামের সংগঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা সহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয়। বিএমজেডের প্রশংসাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শাকিল সৈয়দ তাঁর কাজের মাধ্যমে জার্মানির মানুষের কাছে বাংলাদেশের জনগণের জীবনচিত্র তুলে ধরছেন।
সম্মাননা পাওয়ার অন্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন জার্মানির কোলনের গ্লোরিয়া নিয়াকুয়ে, ডুসেলডর্ফের ইউলিয়ুস লাটজেল, বার্লিনের বাতিয়া ব্লাঙ্কার্স, কারিন ম্লোডক ও নাতালিয়া ফিব্রিগ। এছাড়াও, মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন বন শহরের ইয়েন্স মার্টেন্স।
"শাকিল সৈয়দসহ সম্মাননা পাওয়া সাত ব্যক্তি আন্তর্জাতিক সংহতি-সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে এই সময়ে তাঁদের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যখন জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ বাড়ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জার্মানির বন শহর, নুরেমবার্গ, কোলন, ডুসেলডর্ফ, বার্লিন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাকিল সৈয়দ, উন্নয়নমন্ত্রী রিম আলাবালি রাদোভান, ইয়েন্স মার্টেন্স
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর (সমাজসেবায় সক্রিয়), ৫ সেপ্টেম্বর (সম্মাননা প্রদান তারিখ), ৭ জন (সম্মাননা পাওয়ার ব্যক্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!