📌 দুদক ঢাকার ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মাসে এক থেকে দেড় কোটি টাকা অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ উন্মোচন করেছে। অভিযোগে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে
দুদকের নেতৃত্বে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে আজ মঙ্গলবার অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মাসে এক থেকে দেড় কোটি টাকা অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ উন্মোচিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়ারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়েছে ঢাকার ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে।
- 📌 অভিযোগে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে রুট পারমিট, নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ, মালিকানা পরিবর্তন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন সেবায় মাসে ১ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অবৈধ অর্থ আদায় করা হতো।
- 📌 কার্যালয়ের সামনে অবৈধ দোকানপাট ও ট্রাকস্ট্যান্ড থেকে মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 সাবেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি কার্যালয়ের একটি কক্ষ নিজের দখলে রেখে দালাল চক্র নিয়ন্ত্রণ করছেন।
📰 বিস্তারিত
দুদকের জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ প্রথম আলোকে জানান, অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য ছিল বিআরটিএর বিভিন্ন সেবা নিয়ন্ত্রণকারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে তদন্ত। অভিযোগ অনুযায়ী, এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মাসে এক থেকে দেড় কোটি টাকা অবৈধভাবে আদায় করা হতো।
দুদক সূত্র জানায়, অভিযান চলাকালীন ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে সেবাপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও, কার্যালয়ের সামনে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও ট্রাকস্ট্যান্ড থেকে মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।
সাবেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি কার্যালয়ের একটি কক্ষ নিজের দখলে রেখে দালাল চক্র নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছে।
"অভিযোগ অনুযায়ী, বিআরটিএর ইকুরিয়া কার্যালয়ে সেবাভেদে ১ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ অবৈধভাবে নেওয়া হয়। এ ছাড়া কার্যালয়ের সামনে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাটসহ একটি ট্রাকস্ট্যান্ড থেকে মাসিক চাঁদা আদায় করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া, বিআরটিএ কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়ার, তানজির আহমেদ, সেবাপ্রত্যাশীরা, সাবেক কর্মচারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ থেকে ১০ হাজার টাকা, মাসে ১ থেকে ১০ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!