📌 স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, নতুন আইনটি বাংলাদেশের অসহায় বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। ধর্মানুসারে সম্পত্তি হস্তান্তর বা উত্তরাধিকার আইনকে বাধা হবে না। আইনটি ইসলামিক ও অন্যান্য ধর্মীয় অনুশাসনের সাথে সাংঘর্ষিক নয়
বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান নতুন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, এই আইনটি বাংলাদেশের অসহায় বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত হয়েছে। আইনটি ধর্মানুসারে সম্পত্তি হস্তান্তর বা উত্তরাধিকার আইনকে বাধা হবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বৃদ্ধ বাবা-মা সুরক্ষার জন্য নতুন আইনটি প্রণীত হয়েছে, কারণ বাবা-মা অসহায় হয়ে শেষ বয়সে সম্পত্তি ছেড়ে দেওয়া হলেও তাদের বাসা থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে।
- 📌 ইসলামিক অনুশাসনের সাথে সাংঘর্ষিক নয় আইনটি ইসলামিক উত্তরাধিকার আইন, ওয়াসিয়ত বা হেবা-এ কোনো পরিবর্তন আনবে না। আইনটি ১২২-এর চার ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 ধর্মানুসারে সম্পত্তি হস্তান্তর বাধা নয় আইনটি বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষের জন্য প্রযোজ্য। কেউ যদি ধর্মানুসারে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে চায়, তাহলে কোনো বাধা হবে না।
- 📌 মামলা-মোকদ্দমা বন্ধের উদ্দেশ্য আইনটি বৃদ্ধদের মামলা-মোকদ্দমা থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, “আমরা দেখছি এই সমাজে বাবা-মা অসহায় হয়ে যাচ্ছেন শেষ বয়সে। সম্পত্তি ছেলেমেয়েরা লিখে নিলেও বাবা-মাকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি ক্যানসার আক্রান্ত বৃদ্ধদের সম্পত্তি থাকলেও তাদের ভোগ করার সুযোগ নেই। একটা ঘটনা আমার সামনে এসেছিল, একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মারা যাওয়ার পর সন্তানরা সম্পত্তি লিখে নিল। এর এক সপ্তাহ পরে তাদের মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিল। এ রকম ঘটনা অনেক। এমনকি মারা যাওয়ার পরও ওয়ারিশরা এসে মামলা-মোকদ্দমা করছেন। বৃদ্ধদের প্রটেকশন এবং মামলা-মোকদ্দমা বন্ধের চিন্তা থেকে এই আইনটি প্রণীত হয়েছে।”
আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “দান সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার পর মালিকের সম্পত্তি ভোগ করার অধিকার বাবা-মার। এটি ইসলামে অনুমোদিত। আইনটি প্রগতিশীল এবং বাংলাদেশের অসহায় বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সুরক্ষার জন্য যুগান্তকারী হবে। এমনকি জামায়াতপন্থী আইনজীবী শিশির মনিরও আইনে কোনো ভুল দেখেন না। তিনি ব্যক্তিগতভাবে আইনকে সমর্থন করেছেন।”
বিরোধী দলের দাবি, এই আইনটি কোরআন-সুন্নাহবিরোধী। তারা বলছেন, ইসলামিক উত্তরাধিকার আইন, ওয়াসিয়ত বা হেবা-এ পরিবর্তন আনবে। কিন্তু আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, “১২২-এর চার ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, অন্যান্য আইনে যে হেবা বা গিফট থাকুক না কেন, সেগুলো এই আইনের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। আইনটি বাংলাদেশের সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিষয়ে প্রযোজ্য হবে এবং ধর্মানুসারে সম্পত্তি হস্তান্তর বাধা হবে না।”
"আমি তো অনেক মানুষের ফোন পাচ্ছি, এসএমএস পাচ্ছি। তাঁরা বলছেন যে এটি একটি যুগান্তকারী আইন। এটি বাংলাদেশের অসহায় বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সুরক্ষার জন্য যেভাবে করা হয়েছে, তা যুগান্তকারী আইন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সংসদ, সরকারি কার্যালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আসাদুজ্জামান (স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী)
- 📌 উল্লেখিত আইন ধারা: ১২২-এর চার ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!