📌 মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারণ প্রকল্পে ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও বিআরডিবির পুরোনো ভবন অপসারণ না করায় কাজ শুরু হচ্ছে না। খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম হাইকোর্টে রিটের পটভূমি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারণ প্রকল্পে ১৮ কোটি টাকার বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বিআরডিবির একতলা ভবন অপসারণ না করায় প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। জরাজীর্ণ প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম নির্মাণের কাজ শুরু না হওয়ায় জনসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৮ কোটি ১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা বরাদ্দে আটতলা ভিতবিশিষ্ট ছয়তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্পে বিআরডিবির জায়গা ছাড়ার জটিলতা
- 📌 ৫৪০ দিনের মেয়াদে (২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত) প্রকল্পের কাজ শুরু না হলে অর্থ ফেরত যাওয়ার আশঙ্কা
- 📌 ১৯৭৮ সালের ১৩ জুলাই থেকে বিআরডিবির জমিতে তাদের ভবন নির্মাণের পর থেকে জটিলতা চলছে
- 📌 ৬ মে তারিখে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এলজিইডিকে আধা সরকারি পত্রে জায়গা ছাড়ার অনুরোধ জানান
- 📌 ১৯ আগস্ট হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন সদর উপজেলা ইউসিসিএ সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন
- 📌 ১৭ ফেব্রুয়ারি ও ৫ মার্চ তারিখে ইউএনও মৌসুমী নাসরিন ও বিআরডিবি মহাপরিচালক সরদার মো. কেরামত আলী জমি হস্তান্তরের বিষয়ে আলোচনা করেন
📰 বিস্তারিত
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের জরাজীর্ণ ভবন ও অপ্রতুল প্রশাসনিক সুবিধার কারণে জনসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এলজিইডি অনুমোদিত ১৮ কোটি টাকার প্রকল্পে আটতলা ভিতবিশিষ্ট ছয়তলা ভবন নির্মাণের জন্য দরপত্রও আহ্বান করা হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত জায়গায় বিআরডিবির একতলা পুরোনো ভবন, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের দ্বিতল ভবন এবং পিআইওর গুদামের কারণে নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী নাসরিন জানান, ১৯৭৮ সালের ১৩ জুলাই উপজেলা পরিষদকে দেড় বিঘা জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই জায়গায় বিআরডিবি, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ও পিআইওর গুদাম নির্মিত হয়। নতুন ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর জমি ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও বিআরডিবি তাদের একতলা ভবন অপসারণ করতে অস্বীকার করছে।
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম গত ৬ মে এলজিইডিকে আধা সরকারি পত্রে জায়গা ছাড়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, সদর উপজেলা কমপ্লেক্সের ভবন জরাজীর্ণ ও অপ্রতুল হওয়ায় জনসেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রস্তাবিত জায়গায় বিআরডিবির স্থাপনা অপসারণ না করলে প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হবে।
সদর উপজেলা ইউসিসিএ সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন ১৯ আগস্ট হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। তিনি দাবি করেন, প্রথমে অফিসার্স ক্লাবের জায়গায় ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত ছিল। পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হলে বিআরডিবির জায়গা ছাড়ার প্রয়োজন পড়েছে।
উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আলী আজম বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। ৫৪০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। তবে বিআরডিবির জায়গা ছাড়ার অপেক্ষায় প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
"২০১৫ সালের আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিআরডিবির কোনো স্থাপনা উচ্ছেদ করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, বাংলাদেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আফরোজা খানম (খাদ্যমন্ত্রী), মো. আওলাদ হোসেন (ইউসিসিএ সভাপতি), মৌসুমী নাসরিন (ইউএনও), সরদার মো. কেরামত আলী (বিআরডিবি মহাপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ কোটি ১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা, ৫৪০ দিন, ৬ মে, ১৩ জুলাই ১৯৭৮
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!