📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জেন্ডার বাজেটের বাস্তবায়ন: নারী-পুরুষের বৈষম্য কমানোর পথে বড় প্রশ্ন

জেন্ডার বাজেটের বাস্তবায়ন: নারী-পুরুষের বৈষম্য কমানোর পথে বড় প্রশ্ন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩৫ শতাংশ জেন্ডার-সংশ্লিষ্ট বাজেট পাস হলেও বাস্তবায়নের প্রশ্ন উঠছে। বরাদ্দের অপ্রতুলতা, প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা অভাব ও নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় জেন্ডার বৈষম্য কমতে বাধাপ্রাপ্ত

বাংলাদেশে জেন্ডার বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যে জেন্ডার বাজেটের বাস্তবায়ন জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সরকার সরাসরি জেন্ডার বাজেট না করে ৬১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে জেন্ডার-সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ বাড়িয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট বাজেটের ৩৫ শতাংশ (৩ লাখ ২৬ হাজার ৫৯ কোটি টাকা) জেন্ডার সংবেদনশীল প্রকল্পে বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই বরাদ্দ কতটা নারীর জীবনে পরিবর্তন আনতে সক্ষম?

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেটে জেন্ডর-সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ ৩৫ শতাংশ (২৩ শতাংশ বৃদ্ধি আগের অর্থবছর থেকে)
  • 📌 নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৫ হাজার ১৯৬ কোটি টাকার বরাদ্দে ৯২ শতাংশ বেতন-ভাতা ও প্রশাসনিক ব্যয়, মাত্র ৮ শতাংশ উন্নয়ন প্রকল্পে
  • 📌 বিএনপির সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিবা বলেন: ‘বরাদ্দ বাড়লেও তা প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে না, সামাজিক আন্দোলন ছাড়া বৈষম্য কমতে পারবে না’
  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা দাবি করেন: ‘জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত ফলাফল জানতে বরাদ্দ বিতরণের পদ্ধতি ও বাস্তবায়ন মূল্যায়ন করতে হবে’
  • 📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শরমিন্দ নিলোর্মী বলেন: ‘নারী ক্রিকেটারদের সমান বেতন দিলেও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকলে তারা খেলাধুলা ত্যাগ করবেন’

📰 বিস্তারিত

‘জেন্ডার বাজেট: নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা ও অন্তর্ভুক্তিকরণ’ শিরোনামের গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা জোর দিয়েছেন জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত বাস্তবায়নের ওপর। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় ‘সুশীল’ প্রকল্পের আওতায় প্রথম আলো ও একশনএইড বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা উল্লেখ করেছেন, বরাদ্দ বাড়ানো মাত্রই যথেষ্ট নয়—নারীর নিরাপত্তা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ নলেজ হাবের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেছেন, শুধু মন্ত্রণালয়ভিত্তিক বরাদ্দ নয়, অঞ্চল ও নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক জেন্ডার বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরতে হবে। তিনি দাবি করেছেন, জেন্ডার অসমতা পরিস্থিতি ম্যাপিং ও নিয়মিত পরিবীক্ষণের মাধ্যমে বরাদ্দের প্রকৃত প্রভাব মূল্যায়ন করতে হবে।

একশনএইড বাংলাদেশের কাজী মোরশেদ আলম বলেন, জেন্ডার বাজেটে নারীর অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা দরকার। তিনি উল্লেখ করেছেন, তহবিল সংকটে স্বাস্থ্য বিষয়ে এলাকাভিত্তিক প্রকল্প কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে, যা জেন্ডার বৈষম্য কমাতে সরকারের প্রচেষ্টাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে।

“একটি পরিবার থেকে যদি ছেলেসন্তানকে জেন্ডার সংবেদনশীল করে গড়ে তোলা না হয়, তাহলে সেই ছেলেসন্তান বড় হয়ে দায়িত্ব পালনকালে ওই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বের হতে পারবে না। নারীর প্রতি বৈষম্য কমাতে সামাজিক আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (কারওয়ান বাজার, প্রথম আলো কার্যালয়)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদা হাবিবা (বিএনপি সংসদ সদস্য), সায়মা হক বিদিশা (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক), শরমিন্দ নিলোর্মী (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক), খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম (বাংলাদেশ নলেজ হাব সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬১টি মন্ত্রণালয়, ৩৫ শতাংশ জেন্ডার বরাদ্দ, ৫ হাজার ১৯৬ কোটি টাকা নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖