📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রেলের ৯০% ট্রেন ইজারা: সালাউদ্দিন রিপনের পরিবার এক দশকে শতকোটি টাকা রাজস্ব চুরি করে নিল

রেলের ৯০% ট্রেন ইজারা: সালাউদ্দিন রিপনের পরিবার এক দশকে শতকোটি টাকা রাজস্ব চুরি করে নিল

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সালাউদ্দিন রিপনের পরিবার বাংলাদেশ রেলের ৩২টি ট্রেনের ইজারা নিয়ন্ত্রণ করে এক দশকে শতকোটি টাকা রাজস্ব আত্মসাত করেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে

বাংলাদেশ রেলওয়ের ৩২টি ট্রেনের ইজারা নিয়ন্ত্রণে থাকা সালাউদ্দিন রিপনের পরিবার এক দশক ধরে রাষ্ট্রীয় রাজস্বের বিশাল অংশ আত্মসাত করেছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত মোট ৩৭টি ট্রেনের মধ্যে ৯০ শতাংশের ইজারা এই পরিবারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দরপত্র ছাড়াই রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে বারবার চুক্তি নবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে শতকোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সালাউদ্দিন রিপনের পরিবার বাংলাদেশ রেলের ৩২টি ট্রেনের ইজারা নিয়ন্ত্রণ করে এক দশকে শতকোটি টাকা রাজস্ব আত্মসাত করেছে
  • 📌 রেলের ২৪টি ট্রেনের ইজারা বাতিল করে দেন অন্তর্বর্তী সরকার, কিন্তু বিএনপি সরকারের আগমনে আবার রিপন ঠিকাদারি কাজ শুরু করেছেন
  • 📌 দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে সাড়ে ৩৫ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে
  • 📌 রেলের পূর্বাঞ্চলে পরিচালিত বলাকা, মহুয়া, জামালপুর, দেওয়ানগঞ্জ, কর্ণফুলী, তিতাস ও সাগরিকা কমিউটারসহ গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলোর ইজারা দম্পতির পকেটেই গেছে
  • 📌 রিপনের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো একই দরপত্রে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিযোগিতা ছাড়াই চুক্তি পেয়েছে

📰 বিস্তারিত

রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, সালাউদ্দিন রিপনের পরিবার ও তার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৩৭টি ট্রেনের মধ্যে ৩২টি। এই পরিবার কর্তৃক পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো রেলের পূর্বাঞ্চলে পরিচালিত বলাকা, মহুয়া, জামালপুর, দেওয়ানগঞ্জ, কর্ণফুলী, তিতাস ও সাগরিকা কমিউটারসহ গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলোর ইজারা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

রাজধানীর মতিঝিলে একই ঠিকানায় অবস্থিত মেসার্স এসআর ট্রেডিং, এলআর ট্রেডিং, এনএল ট্রেডিং এবং তার স্ত্রী মিফতাহুল জান্নাত লুনার মালিকানাধীন টিএম ট্রেডিং নামে একাধিক বেনামি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো একই দরপত্রে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিযোগিতা ছাড়াই চুক্তি পেয়েছে।

রেলের পূর্বাঞ্চলের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চুক্তি অনুযায়ী প্রাথমিক ইজারা মাত্র চার বছরের জন্য দেওয়া হলেও রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে বারবার চুক্তি নবায়ন করা হয়েছে। কোনো কর্মকর্তা এর বিরোধিতা করলে তাকে বদলি বা নানাভাবে হয়রানি করা হতো।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরিস্থিতিতে রিপন নিজের রাজনৈতিক ভোল পাল্টে বৈষম্যবিরোধী নেতা হয়ে উঠলেও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তার নিয়ন্ত্রণাধীন ২৪টি রেলের ইজারা বাতিল করে দেন। কিন্তু বিএনপি সরকারের আগমনে আবার রেলের ঠিকাদারি কাজ শুরু করেছেন তিনি।

"গণপরিবহন খাতে যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সিন্ডিকেটের একচেটিয়া আধিপত্য তৈরি হয়, তখন সেখানে সেবার মান নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। দরপত্র ছাড়া চুক্তি নবায়ন স্পষ্টতই পিপিআরের লঙ্ঘন। রেলের লোকসান কমানোর জন্য এই ধরনের সিন্ডিকেট অবিলম্বে ভেঙে দেওয়া উচিত এবং দীর্ঘমেয়াদি ইজারা প্রথার আধুনিকায়ন জরুরি।"

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. শামছুল হক বলেছেন, প্রতিযোগিতাহীন এই ইজারা ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশ রেলওয়ে তার প্রকৃত আয়ের সক্ষমতা হারিয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মতিঝিল), বরিশাল, রাজশাহী, জামালপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাউদ্দিন রিপন, মিফতাহুল জান্নাত লুনার, হাসনাত আবদুল্লাহ, মুজিবুল হক, ফয়জুল কবির
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২টি ট্রেন, ৯০ শতাংশ, ৩৫ কোটি টাকা, ২৪টি ট্রেন, ৫ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖