📌 জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র কমিটির বৈঠকে জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক ও আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। বৈঠকে অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ ও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের বিষয়ও আলোচিত হয়
১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে অব্যাহত কূটনৈতিক ও আইনগত প্রচেষ্টা সম্পর্কে স্পষ্ট ঘোষণা করা হয়। কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই বৈঠকে সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির গুরুত্ব এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ও আলোচিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শেখ হাসিনা ফেরত আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত: বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক ও আইনগত পথে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে বলে জানানো হয়।
- 📌 অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ: প্রবাসী কর্মীদের নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘মাইগ্রেশন উইং’ চালু করা হয়েছে।
- 📌 প্রবাসী কর্মীদের সুরক্ষা: প্রবাসী কল্যাণ ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ে স্বচ্ছ রিক্রুটিং প্রক্রিয়া গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়।
- 📌 রোহিঙ্গা সমস্যা: আগামী অক্টোবর মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের আশা প্রকাশ করা হয়।
- 📌 সচেতনতা বৃদ্ধি: দালালদের প্রতারণা থেকে সম্ভাব্য অভিবাসীদের সুরক্ষার জন্য ‘সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান’ শুরু করার সুপারিশ করা হয়।
📰 বিস্তারিত
বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, মো. আমানউল্লাহ আমান, এস কে আজিজুল বারী, এবিএম মোশাররফ হোসেন, সানজিদা ইসলাম এবং বিশেষ আমন্ত্রণে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারসাম্যপূর্ণ থাকতে হবে এবং প্রতিটি দেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব থাকবে। তবে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বৈঠকে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় পদ্ধতিগত দুর্বলতা ছিল। এ কারণে প্রবাসী কর্মীদের তথ্য ও নথিপত্রের যথাযথ সত্যায়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও, প্রবাসী কল্যাণ ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ে স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রক্রিয়ায় রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মীদের বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়।
‘মাইগ্রেশন উইং’ চালু করা হয়েছে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে। পাশাপাশি, দালাল ও অননুমোদিত মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রতারণা থেকে সম্ভাব্য অভিবাসীদের সুরক্ষার জন্য তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। বৈঠকে জনগণকে বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণেরও সুপারিশ করা হয়।
"বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারসাম্যপূর্ণ থাকতে হবে। প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব থাকবে। তবে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় সংসদ ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহরত আদিব চৌধুরী (সভাপতি), শামা ওবায়েদ ইসলাম, হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!