📌 কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস একই সঙ্গে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত। সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার দায়িত্বের পাশাপাশি নিয়মিত প্রশাসনিক কাজের চাপে তিনি প্রতিদিন রাত ৯-১০টায় কাজ করেন। স্থানীয়রা দ্রুত পদপূরণের দাবি জানাচ্ছেন
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় এককভাবে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত একজন কর্মকর্তা যিনি একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পাকুন্দিয়া পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাসের এই অদ্বিতীয় সংগ্রাম প্রশাসনিক চাপের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রূপম দাস এককভাবে চারটি দপ্তরের দায়িত্বে — ইউএনও, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার প্রশাসক
- 📌 ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর যোগদান করে ২০২৬ সালের ৩ আগস্ট থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদেও অতিরিক্ত দায়িত্ব নেন
- 📌 প্রতিদিন রাত ৯-১০টায় অফিসে কাজ করতে হয় — নিয়মিত দাপ্তরিক কাজ শেষে অতিরিক্ত ফাইল সামলানোর চাপ
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, দ্রুত পদপূরণ হলে সেবা নেওয়া সহজ হতো
- 📌 সাংবাদিক হারিছ আহমেদ প্রশাসনিক কাঠামোর সংকটকে কর্মকর্তার ব্যক্তিগত কর্মদক্ষতার উদাহরণ হিসেবে দেখতে চান না
📰 বিস্তারিত
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় এককভাবে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত রূপম দাসের সংগ্রাম প্রশাসনিক চাপের একটি বাস্তব উদাহরণ। তিনি ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ৩ আগস্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত জাহান বদলি হয়ে গেলে ওই পদেও অতিরিক্ত দায়িত্ব নেন। এছাড়াও, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর উপজেলা পরিষদ ও পাকুন্দিয়া পৌরসভার প্রশাসনিক দায়িত্বও তাঁর ওপর অর্পণ করা হয়।
প্রতিদিনের কাজের চাপে রূপম দাসের দিনের সময়সূচী অত্যন্ত কঠিন। নিয়মিত দাপ্তরিক কাজ শেষে তিনি বাংলো অফিসে রাত ৯ থেকে ১০টা পর্যন্ত কাজ করেন। এছাড়াও জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন বৈঠক, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নিতে হয় তাঁকে। তিনি বলেন, “চার দপ্তরের দায়িত্ব পালন অত্যন্ত কঠিন হলেও জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে আমি বদ্ধপরিকর। নতুন সহকারী কমিশনার পদায়ন হলে কাজের চাপ অনেকটাই লাঘব হতো।”
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, “ইউএনও অফিসে এসে দ্রুত পরামর্শ ও সেবা পেয়েছি। তবে শূন্য পদগুলো পূরণ হলে সাধারণ মানুষের জন্য সেবা নেওয়া আরও সহজ হতো।” সাংবাদিক হারিছ আহমেদ প্রশাসনিক এই জটিলতার মাঝেও কর্মকর্তার ব্যক্তিগত কর্মদক্ষতার উদাহরণ হিসেবে দেখতে চান না। তিনি বলেন, “কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধির অভাবে স্থানীয় প্রশাসনের ওপর অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয়েছে। বিষয়টিকে প্রশাসনিক কাঠামোর একটি বাস্তব সংকট হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।”
"চার দপ্তরের দায়িত্ব পালন অত্যন্ত কঠিন হলেও জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে আমি বদ্ধপরিকর। নতুন সহকারী কমিশনার পদায়ন হলে কাজের চাপ অনেকটাই লাঘব হতো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাকুন্দিয়া উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রূপম দাস (ইউএনও), আব্দুস সালাম, হারিছ আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩ আগস্ট ২০২৬, রাত ৯-১০টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!